ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

‘মঙ্গল’, ‘আনন্দ’ বাদ

নববর্ষের শোভাযাত্রার নতুন নাম: বৈশাখী শোভাযাত্রা


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:০০ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে প্রতিবছর বাংলা নববর্ষে অনুষ্ঠিত হওয়া শোভাযাত্রার নাম এখন থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে। সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে দীর্ঘদিন চলা বিতর্কের অবসান ঘটাতে এই পরিবর্তন করা হয়েছে।

গত বছর পহেলা বৈশাখে চারুকলা থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রার নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। তার আগে এটি ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত ছিল। সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে। এটি বাংলার ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ভাবকে আরও সুসংহত করবে।’

তিনি আরও জানান, পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য সকল সাংস্কৃতিক আয়োজনের ব্যবস্থা থাকবে। চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার সব বৈশিষ্ট্য এবং সাংস্কৃতিক রূপ ও সৃজনশীলতা অটুট থাকবে। নতুন নামকরণে শোভাযাত্রার ধারাবাহিকতা এবং প্রামাণ্যতা বজায় থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, বৈশাখী শোভাযাত্রা শুধু একটি নাম নয়, এটি বাংলার জনগণের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে বহন করবে। প্রতিটি বছর নববর্ষের দিনটি উদযাপনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানাবে। তিনি বলেন, নতুন নামকরণে শোভাযাত্রার সংস্কার ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হবে এবং এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, নতুন নামকরণ প্রক্রিয়ায় সকল পক্ষের মতামত বিবেচনা করা হয়েছে। এই নামকরণে নববর্ষের শোভাযাত্রার ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক মান বজায় থাকবে। প্রতিটি বছরের মতো এবারও চারুকলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে এবং শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক অতিক্রম করে নতুন বছরের সূচনা ঘটাবে।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সংহত করতে চাই। এটি জনগণের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ও একাত্মতা বৃদ্ধি করবে।’

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে শিল্পকলা, লোকনৃত্য, সাংস্কৃতিক চিত্র এবং অন্যান্য সৃজনশীল উপস্থাপনাগুলি থাকবে। সকল আয়োজন পূর্বের মতোই সম্পূর্ণ হবে, শুধু নাম পরিবর্তন হবে। এই নামকরণ আগামী থেকে চূড়ান্তভাবে প্রয়োগ করা হবে এবং নতুন রূপে শোভাযাত্রার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর