ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

নড়াইলে ৩৯৮ বোতল ইসকাফসহ দুইজন গ্রেপ্তার


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:৫৭ পিএম

নড়াইলে পৃথক দুই অভিযানে ৩৯৮ বোতল ইসকাফ ও ৫ বোতল বিদেশি মদসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে শহরের শেখ রাসেল সেতু এলাকায় এবং একই রাতে উপজেলার পঙ্কবিলা এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার সরুপদা গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে মাহাবুর রহমান (২৬) এবং নড়াইল সদর উপজেলার পঙ্কবিলা গ্রামের মালোপাড়ার সমর বিশ্বাসের ছেলে মানিক বিশ্বাস (৩২)।

প্রথম অভিযানে শুক্রবার বিকেলে শহরের শেখ রাসেল সেতুর ওপর একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি চালায় ডিবি পুলিশ। তল্লাশির সময় গাড়ির পেছনের ডালায় রাখা বস্তাভর্তি ৩৯৮ বোতল ভারতীয় ‘ইসকাফ’ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাহাবুর রহমানকে আটক করা হয় এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইসকাফের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এই ধরনের অবৈধ মাদক পরিবহন ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

অন্যদিকে, একই দিন রাতে নড়াইল সদর উপজেলার পঙ্কবিলা কালি মন্দিরের সামনে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৫ বোতল বিদেশি মদসহ মানিক বিশ্বাসকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

ডিবি পুলিশের দাবি, পৃথক এই দুই অভিযানে আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে মাদক চক্রের আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নড়াইল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান বলেন, “দুই ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয়ভাবে এই মাদক উদ্ধার অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অনেকে। এলাকাবাসী বলছেন, এমন অভিযান নিয়মিত হলে মাদক ব্যবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর