ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

দেবহাটায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৮:০৭ পিএম

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন মৎস্য আড়তে রপ্তানিযোগ্য চিংড়ি মাছে বিষাক্ত অপদ্রব্য পুশ করার অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ জেলি ও অপদ্রব্য পুশকৃত প্রায় ৬০ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব চিংড়ি ধ্বংস করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে আলোচিত মৎস্য ব্যবসায়ী দেবহাটা উপজেলার খেজুর বাড়িয়া গ্রামের নজরুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে জব্দ করা অপদ্রব্য পুশকৃত চিংড়িগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে মৎস্য খাতে ভেজাল ও অনিয়ম রোধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদিপ কুমার। তারা যৌথভাবে বিভিন্ন আড়ত ও মৎস্য ঘাট পরিদর্শন করে সন্দেহভাজন চিংড়ির নমুনা সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে পরীক্ষার মাধ্যমে কিছু চিংড়িতে জেলি ও ক্ষতিকর অপদ্রব্য পুশ করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, রপ্তানিযোগ্য চিংড়ির মান নষ্ট করে এভাবে অপদ্রব্য পুশ করা শুধু দেশীয় বাজার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। তাই এ ধরনের অনিয়ম রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, “ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি শিল্পের সুনাম ধরে রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও জানান, চিংড়ি শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

মৎস্য কর্মকর্তা প্রদিপ কুমার বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দ্রুত মুনাফার জন্য চিংড়িতে জেলি ও পানি পুশ করে ওজন বাড়িয়ে প্রতারণা করছে। এতে একদিকে যেমন ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে রপ্তানি বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে চিংড়ি শিল্পে স্বচ্ছতা ফিরে আসবে এবং রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর