ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরই ভোটের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব খোঁজ পেলেই ৭ দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তার করে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর সরকারি অফিসে ‘স্যার’ বলা বাধ্যতামূলক করা খুবই খারাপ: তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণহত্যায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৪৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মো. হাফিজ ইব্রাহিমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যা ও তদূর্ধ্ব হাসপাতালের কার্যক্রম চালু আছে। পাশাপাশি যশোর, পাবনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালি ও জামালপুরসহ আটটি মেডিকেল কলেজের সঙ্গে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

এছাড়া মাগুরা, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং নওগাঁয় নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে চাঁদপুর ও নীলফামারীতেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সংসদে দেওয়া আরেক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের পুনর্বাসনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধনে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠন করার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় ‘আবাসন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৬৫ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছিল।

বর্তমানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসনের জন্য ‘গুচ্ছগ্রাম-৩ পর্যায় প্রকল্প’ বাস্তবায়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একইসঙ্গে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য পরিকল্পিত আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে কাজ করছে।

সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজেই উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে এবং রাজধানীর ওপর চাপও কিছুটা কমবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর