ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরই ভোটের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব খোঁজ পেলেই ৭ দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তার করে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর সরকারি অফিসে ‘স্যার’ বলা বাধ্যতামূলক করা খুবই খারাপ: তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণহত্যায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫

জুলাই গণহত্যায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৩:২৯ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন শীর্ষ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই বিচারক সদস্য হলেন মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। দণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খানের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বাজেয়াপ্তকৃত এই সম্পত্তি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার এবং গুরুতর আহতদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দলটির সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গত বছরের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল। সেই রায়ের প্রায় ১০ মাস পর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করে রায় প্রদান করা হলো। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে। এটি ট্রাইব্যুনালে ঘোষিত সপ্তম রায়। এ পর্যন্ত দুটি ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত সাতটি রায়ে মোট ৬৮ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ মোট ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই ২২ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে ১৮ জন পলাতক এবং বাকি ৪ জন কারাগারে রয়েছেন।


আদালতে উত্থাপিত মামলার আনুষ্ঠানিক বিবরণ থেকে জানা যায়, ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনটি আলাদা 'কাউন্ট' বা ধারায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। প্রথম কাউন্টে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে ওবায়দুল কাদের तत्कालीन ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনকে মুঠোফোনে আন্দোলন দমনে সরাসরি সংঘাতের নির্দেশ দেন। তিনি ফোনে বলেছিলেন, ‘মারো না কেন ওদের, প্রশ্রয় দাও কেন?’ এরপর ১৪ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি’ সম্বোধন করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সময় ওবায়দুল কাদের উপস্থিত থেকে প্ররোচনা দেন। ১৫ জুলাই তিনি ধানমন্ডির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ‘আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের জবাব দেবে ছাত্রলীগ’ বলে উসকানি দেন এবং ছাত্রলীগকে ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হামলা চালিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীসহ প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীকে গুরুতর আহত করা হয়। এছাড়া ১৬ জুলাই আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলককে ফোন করে ইন্টারনেটের গতি ধীর করার নির্দেশ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে ফোন করে চট্টগ্রাম মহানগরের সব এলাকা দখলের নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। এর ফলে চট্টগ্রামে চান্দগাঁও এলাকার মুরাদপুরে ওয়াসিম, শান্ত ও ফারুকসহ ৩ জন এবং রংপুরের বেগমে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু সাঈদসহ সারা দেশে ৬ জন আন্দোলনকারী নিহত হন।


ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় কাউন্টে বলা হয়, ১৭ জুলাই তেজগাঁওয়ে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকার শীর্ষ নেতাদের আন্দোলন দমনে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি। ১৮ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে অনুসারীদের রাজপথে নামার আহ্বান জানান। ১৯ জুলাই গণভবনে ১৪ দলের বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের সারা দেশে কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়ে ‘শুট অ্যাট সাইট’ অর্থাৎ দেখামাত্রই গুলি করার অমানবিক নির্দেশ দেন। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের দায় আন্দোলনকারীদের ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্রেও তিনি লিপ্ত ছিলেন। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আনিসুল হক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মির্জা আজম, শামীম ওসমান, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি অপহরণ, গুম, হত্যা ও নির্যাতনের নির্দেশ অব্যাহত রাখেন। এসব নির্দেশনার ফলে ১৮ জুলাই মিরপুরে শাহরিয়ার বিন মতিনসহ ৩ জন, ১৯ জুলাই আসিফ ইকবালসহ ৩০ জন এবং ২০ জুলাই মহাখালী এলাকায় ৬ জনসহ সারা দেশে অসংখ্য আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।


ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তৃতীয় কাউন্টে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনে পাড়া-মহল্লায় অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীদের রুখে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এর ফলশ্রুতিতে ৪ আগস্ট মিরপুরে ১২ জন, ফেনীর মহিপালে ৭ জন, লক্ষ্মীপুরে ৪ জন এবং ৫ আগস্ট মিরপুরে ২০ জন ও রাজশাহীতে ২ জনসহ সারা দেশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। পুরো গণ-অভ্যুত্থানকালে ওবায়দুল কাদেরের সার্বিক নির্দেশে ১ হাজার ৪০০টিরও বেশি তাজা প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয় এবং ২৫ হাজারের বেশি মানুষকে গুরুতর আহত করা হয়।


মামলার দ্বিতীয় আসামি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ১৫ জুলাই ওবায়দুল কাদেরের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে সরাসরি উসকানি দেন। তার উসকানিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। নিজ জেলা মাদারীপুরে সাবেক মেয়র খালিদ হোসেনের মাধ্যমে ক্যাডার বাহিনীকে সংগঠিত করে আন্দোলন দমনে সহিংসতা চালান বাহাউদ্দিন নাছিম, যার ফলে ১৮ জুলাই দীপ্ত দে এবং ১৯ জুলাই তৌহিদকে হত্যা করা হয়। ৩ আগস্টের সংবাদ সম্মেলনে প্ররোচনা প্রদানসহ ৪ আগস্ট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আন্দোলনকারীদের স্বাধীনতাবিরোধী ও ধর্ম ব্যবসায়ী হিসেবে চিত্রিত করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন তিনি। পরবর্তীতে তার উসকানিতে ৪ আগস্ট বাংলামোটর ও পল্টনে ৪ জন এবং ৫ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল, গুলিস্তান ও চাঁনখারপুল এলাকায় ১৩ জন আন্দোলনকারীকে পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়।


সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৩ জুলাই তেজগাঁওয়ে এবং ১৪ জুলাই গণভবনে উপস্থিত থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। ১৪ জুলাই রাতে তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করে হামলার পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা দেন। ১৯ জুলাই ব্রিফিংয়ে আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে ৫ বছর ব্যবহারের মতো গোলাবারুদ মজুত থাকার হুমকি দেন আরাফাত। তার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা মহাখালীতে ১৯ জুলাই শাহজাহান ও গনি মিয়াসহ ৬ আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়। ২০ জুলাই ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে সত্য সংবাদ প্রচার ঠেকাতে বাংলা ভিশন, দেশ টিভি, চ্যানেল ২৪ ও এনটিভির সম্প্রচার বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আরাফাত। ৪ আগস্ট সংসদ ভবন এলাকায় ব্রিফিং করে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী ক্যাডারদের আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন।


যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে যুবলীগকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মাঠে নামান। তার নির্দেশে ১৮ জুলাই চট্টগ্রামে তানভীর ছিদ্দিকী, সায়মন মাহিন ও হৃদয় চন্দ্র তরুয়াকে এবং ১৯ জুলাই মহাখালীতে শাহজাহানসহ ৬ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ১ আগস্ট জামায়াত নিষিদ্ধের অজুহাতে ক্যাডারদের মরণকামড় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এর পর ৪ আগস্ট লক্ষ্মীপুরে ৪ জন এবং ৫ আগস্ট রাজশাহীতে রায়হান ও সাকিবকে নৃশংসভাবে হত্যা করে যুবলীগ ক্যাডাররা।


যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১২ জুলাই সিলেটে আন্দোলন প্রতিহত করার নির্দেশ দেন। ১৯ জুলাই তিনি নিজে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে মিরপুর এলাকায় সশস্ত্র মহড়া দেন এবং আন্দোলনকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালান। তার উপস্থিতিতে ও সরাসরি নির্দেশে ১৯ জুলাই মিরপুরে আসিফ ইকবাল ও রুস্তমসহ ২৬ জনকে হত্যা করা হয়। পরবর্তী ৪ ও ৫ আগস্টেও তার নেতৃত্বে মিরপুরে আরও ৩২ জন আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।


ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তারা যৌথভাবে আন্দোলন দমনে রাজু ভাস্কর্য ও মধুর ক্যানটিনে হুমকিমূলক বক্তব্য দেন। সাদ্দাম ১১ জুলাই হুমকি দেন এবং ওবায়দুল কাদেরের ‘মারো না কেন ওদের’ নির্দেশ বাস্তবায়নে ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনীকে সারা দেশে নামিয়ে দেন। ১৫ জুলাই সাদ্দাম ও ইনানের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চরম অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। ১৬ জুলাই হুমকি দেওয়ার পর সারা দেশে ৬ জন নিহত ও পরদিন চার শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। ১৮ জুলাই ছাত্রলীগ ও সহযোগীদের হামলায় দেশে ২৩ জন প্রাণ হারান। আসিফ ইনান উসকানিমূলক বক্তব্য, অর্থায়ন ও হামলার তদারকিতে সরাসরি যুক্ত থেকে পুরো গণহত্যায় প্রধান ভূমিকা রাখেন।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার সংক্ষিপ্ত ও চূড়ান্ত রায়ে এই সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা সবকটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের জন্য সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ জারি করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর