স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ঘরে মা ও মেয়েসহ একটি পরিবার ভাড়া থাকতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তরুণী রানি আক্তার ফারিয়া প্রায়ই মোবাইলে টিকটক ভিডিও তৈরি করতেন। ঘটনার দিন পরিবারের অন্য সদস্যরা বাইরে থাকায় রান্নাঘরের চুলার আগুন ব্যবহার করে ভিডিও বানাতে গিয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন, তবে তার আগেই অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়।
বাড়ির মালিক রুবিনা বেগম বলেন, ‘প্রায় দুই বছর আগে ঘরটি ভাড়া দিয়েছিলাম। ফারিয়া প্রতিদিনই টিকটক ভিডিও করত। আমরা তাকে অনেকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু সে শোনেনি। আগুন নিয়ে ভিডিও করতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
ফারিয়ার ভাই মিরাজ জানান, ঘটনার সময় তারা বাসায় ছিলেন না। বোন টিকটক করতে গিয়ে আগুন লাগিয়েছে স্বীকার করলেও ঘটনার পর থেকেই ফারিয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই ফারিয়াদের পরিবারের কাউকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।
রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীম উদ্দীন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চুলার আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এ বিষয়ে রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আকাশজমিন / আরআর