বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা
মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সার্বিক কল্যাণ ও মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসনের পবিত্র লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক দূরদর্শিতা থেকে গঠন করেছিলেন ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট’। প্রাথমিক পর্যায়ে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় মোট ৩২টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে এই কল্যাণ ট্রাস্ট গৌরবময় যাত্রা শুরু করলেও, সময়ের আবর্তে এবং প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের ধারাবাহিক অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারণে সংস্থাটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।
ট্রাস্টের প্রধান প্রশাসনিক কর্ণধার হিসেবে সাধারণত সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেষণে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা এমডি (MD) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়ে আসছে। সংস্থাটির দীর্ঘ ইতিহাসে হাতেগোনা কয়েকজন কর্মকর্তা সৎ ও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করলেও, অধিকাংশ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক দুর্নীতি এবং চরম অদক্ষতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ট্রাস্টের ভেতরে গড়ে ওঠা এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলিস্তান কমপ্লেক্সসহ প্রায় পাঁচশত কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি সুকৌশলে লুটপাট ও আত্মসাতের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন সংস্থারই এক ভুক্তভোগী কর্মকর্তা। একই সাথে তিনি এই মহাদুর্নীতির নেপথ্যে থাকা সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক (ACC) কর্তৃক উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।
সংস্থাটির বিভিন্ন নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ট্রাস্টের অন্যতম প্রধান লাভজনক উৎস ‘গুলিস্তান কমপ্লেক্স’-এর প্রায় পাঁচ শত কোটি টাকা মূল্যের মহামূল্যবান সম্পত্তি একটি সম্পূর্ণ অসম ও আত্মঘাতী চুক্তির মাধ্যমে একটি বেসরকারি ডেভেলপার কোম্পানিকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এই রহস্যজনক চুক্তির মূল শর্তাবলি এতটা একতরফা যে, নিয়মানুযায়ী এই বিশাল ভবনের কোনো অংশের মালিকানা স্বয়ং মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে থাকবে না, বরং সংস্থাটি কেবল নামমাত্র কিছু মাসিক ভাড়া পাবে মাত্র।
ভুক্তভোগী কর্মকর্তাদের দাবি, একটি লাভজনক সরকারি বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের জমি নিয়ে এই ধরনের অবাস্তব ও আত্মঘাতী চুক্তি পৃথিবীর বাণিজ্যের ইতিহাসে দ্বিতীয়টি আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন এমডি এস এম মাহবুবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ডেভেলপার কোম্পানি ‘দি ওয়েস্টার ইঞ্জিনিয়ার্স ডেভেলপার লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলাউদ্দিনের মধ্যে এই বিতর্কিত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খানের সরাসরি রাজনৈতিক মধ্যস্থতা ছিল এবং তাঁর মাধ্যমে এক বিশাল অঙ্কের অবৈধ অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এই অসম চুক্তিটির চূড়ান্ত অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে কেবল এই সম্পত্তি লিজ দেওয়াই নয়, বরং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নজিরবিহীন অনিয়ম ও চরম নীতিবুর্ভূত কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট তথ্য উঠে এসেছে। তিনি নিজ দায়িত্বে থাকাকালীন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও আর্থিক অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে একই তারিখে এবং একই স্মারক নম্বর ব্যবহার করে ট্রাস্টের কয়েকজন বিশেষ সুবিধাভোগী কর্মকর্তাকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে একই সাথে দুটি উচ্চতর পদে পদোন্নতি দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের আমলাতান্ত্রিক বা প্রশাসনিক ইতিহাসে একই স্মারকে একই দিনে দুইবার পদোন্নতি দেওয়ার মতো এমন জালিয়াতির ঘটনা এর আগে আর কখনো ঘটেনি, যা এই কর্মকর্তার চরম দুর্নীতিগ্রস্ত মানসিকতার প্রকাশ ঘটায়। আর ট্রাস্টের এই সামগ্রিক সম্পদ হরিলুট এবং নজিরবিহীন প্রশাসনিক অরাজকতার পেছনে অন্যতম প্রধান কারিগর ও মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করেছেন বর্তমান যুগ্ম-পরিচালক (প্রশাসন) ফয়েজ আহমেদ খান।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এমডি ইফতেখারুল ইসলাম খানের কার্যকালে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর অঞ্চলের অন্তত ১০টি অত্যন্ত লাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে মোটা অঙ্কের গোপন অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলের কাছে নামমাত্র মূল্যে ভাড়া ও ইজারা দিতে ফয়েজ আহমেদ খানই মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে নতুন এমডি হিসেবে মাহু বুবের রহমান দায়িত্ব নিলেও সেই একই চক্রের প্রভাবে ওই ক্ষতিকর ও অসম চুক্তিগুলোর মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়েছিল। এই দীর্ঘকালীন অনিয়মের মাধ্যমে যুগ্ম-পরিচালক ফয়েজ আহমেদ খান বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় তাঁর অন্তত তিনটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ এলাকাতেও নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। এছাড়া তাঁর ছেলেমেয়েদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার পেছনে কোটি কোটি টাকার ব্যয়বহুল খরচও তিনি এই ট্রাস্টের চাকরি থেকেই অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, দুদক যদি ফয়েজ আহমেদ খান ও তাঁর স্ত্রীর সম্পদের হিসাব নিয়ে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান চালায়, তবে এই দুর্নীতির থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
এর পাশাপাশি ট্রাস্টের আরেক বিতর্কিত কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আবুল কাশেম চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর ৪৭ তোপখানা সার্কুলার রোডে অবস্থিত ট্রাস্টের একমাত্র লাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘পূর্ণিমা ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিস স্টেশন’-এর ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব কুক্ষিগত করে রেখেছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সেখানে পুরনো পাম্প অপারেটর বোরহান বেপারীর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রতি ১০ লিটারে ১ লিটার তেল কম দেওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ অর্থ বাণিজ্য ও চুরির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন।
এই দুর্নীতি ঢাকার জন্য তিনি এক অভিনব ও চতুর কায়দা অবলম্বন করেছেন। পাম্পের ক্যাশিয়ারের কাছে একটি গোপনীয় সুইচ থাকে। মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের লোক অভিযানে আসলে ক্যাশিয়ার দ্রুত সেই গোপন সুইচ টিপে দেয়। এছাড়া দুইটা পাম্পের মাঝখানে আরেকটি গোপন সুইচ আছে, যা বন্ধ করে দিলে চুরির রিডিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে আবার ১০ লিটারের সঠিক পরিমাপ প্রদর্শন করে। এই চুরির সিন্ডিকেট ও অবৈধ উপার্জনের টাকা দিয়ে আবুল কাশেম চৌধুরী রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় বিলাসবহুল বহুতল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এমনকি পুরো ট্রাস্টের প্রায় অর্ধেক প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্তমানে তাঁর ইশারায় চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের সুনির্দিষ্ট তদন্ত হলে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সের ভুয়া সনদপত্র এবং আয়ের সাথে বিপুল সম্পদের আকাশপাতাল অসংগতি প্রকাশ্যে আসবে।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের এই সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে যখনই কোনো কর্মকর্তা লিখিতভাবে প্রতিবাদ করতে চেয়েছেন, তখনই তাঁর ওপর নেমে এসেছে অমানবিক প্রাতিষ্ঠানিক হয়রানি, নির্যাতন ও সামাজিক অবদমন। গুলিস্তান কমপ্লেক্সের এই পাঁচ শত কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়ে একাধিক দাপ্তরিক চিঠি সাবেক এমডির কাছে জমা দেওয়া হলেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল— সেই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং ডেভেলপার কোম্পানির আলাউদ্দিনের কাছ থেকে তৎকালীন প্রশাসন গোপনে অবৈধ অর্থ নিচ্ছিল। পরবর্তীতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে ট্রাস্টের এই সামগ্রিক দুর্নীতির একটি বিস্তারিত সত্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরপরই, সংশ্লিষ্ট প্রতিবাদী কর্মকর্তাকে “অনুমতি ছাড়া ভেতরের তথ্য বাইরে প্রকাশ” করার এক অদ্ভুত ও কাল্পনিক অভিযোগে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
শুধু তাই নয়, মুখ বন্ধ করতে তাঁর বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি করে ৫টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বিভাগীয় মামলা এবং ৪টি সাজানো ফৌজদারি মামলা দায়ের করে এক চরম ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। সাবেক এমডি ইফতেখারুল ইসলাম খান এতটা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছিলেন যে, ওই প্রতিবাদী কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যকে ট্রাস্টের সীমানায় প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করার জন্য গভীর রাতে তাঁর বাসায় পুলিশ পাঠান। এমনকি ২০১৯ সালে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানের টিকিট কাটলেও, তৎকালীন এমডির দেওয়া গোপন চিঠির কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁকে দেশত্যাগে বাধা দিয়ে বিমানবন্দর থেকেই জোরপূর্বক ফেরত পাঠায়।
পরবর্তীতে দেশের বিজ্ঞ আদালত সুদীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত সমস্ত ফৌজদারি ও বিভাগীয় মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণিত করে তাঁকে সসম্মানে খালাস ও মামলার দায় থেকে চূড়ান্ত অব্যাহতি প্রদান করেন। কিন্তু আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি লিখিত নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও, সাবেক এমডি এস এম মাহবুবুর রহমান ও বর্তমান যুগ্ম-পরিচালক ফয়েজ আহমেদ খানের সুচতুর প্রশাসনিক মারপ্যাঁচে ওই কর্মকর্তাকে আর চাকরিতে পুনর্বহাল বা যোগদান করতে দেওয়া হয়নি।
এই দীর্ঘমেয়াদী মিথ্যা মামলার আইনি খরচ বহন করতে গিয়ে ওই ভুক্তভোগী কর্মকর্তাকে নিজের শেষ সম্বল মধ্য বাড্ডার একটি ফ্ল্যাট মাত্র ৬০ লক্ষ টাকায় জরুরি ভিত্তিতে বিক্রি করে দিতে হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে চলা এই চরম মানসিক ও সামাজিক নির্যাতনের কারণে তিনি গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং তাঁর হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়ে, যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তিন তিনবার ভারতে গিয়ে আরও প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও পঙ্গু প্রায়।
এমতাবস্থায়, ভুক্তভোগী কর্মকর্তা ও সচেতন সমাজ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এই পুরো বিষয়ের সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সাবেক এমডি ইফতেখারুল ইসলাম খান, এস এম মাহবুবুর রহমান, সাবেক বিতর্কিত মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শাজাহান খান এবং সাবেক ডিজিএম সিরাজুল ইসলামসহ যে সিন্ডিকেটটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদ হরিলুট করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। একই সাথে আদালতের রায় অনুযায়ী ভুক্তভোগী কর্মকর্তার চাকরি ফেরত, সমস্ত বকেয়া বেতন-ভাতা, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফারুকী আজম বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য বর্তমান প্রশাসনকে নির্দেশ দিলেও, বর্তমান এমডি মাহবুবের রহমান এক অজানা রহস্যময় কারণে গত এক বছর চার মাস ধরে ভুক্তভোগী কর্মকর্তার এই ন্যায়বিচারের ফাইলটি নিজের দপ্তরে আটকে রেখেছেন, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও দুর্নীতিবিরোধী চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
(অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য বা লিখিত আত্মপক্ষ সমর্থন পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে এই প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে)।
আকাশজমিন / আরআর