ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার পাল্টা জবাব

ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৬:০৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা গত সপ্তাহান্তে ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে দেশটির রাডারসহ ড্রোন–সংশ্লিষ্ট সামরিক স্থাপনায় ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ–১ ড্রোনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়াসহ ইরানের সাম্প্রতিক ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাবে যুক্তরাষ্ট্র এই পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। সেন্টকমের দাবি, মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি স্থলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং একমুখী হামলার জন্য ব্যবহৃত দুটি ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই সামরিক সরঞ্জাম ও স্থাপনাগুলো আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজের নিরাপত্তার জন্য ‘স্পষ্ট হুমকি’ ছিল।

এর আগে গতকাল রোববার ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে পাল্টা দাবি করে যে, তারা তাদের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ–১ ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, শত্রুতামূলক সামরিক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে মার্কিন ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমায় অবৈধভাবে প্রবেশ করেছিল। তবে ইরানের রাডারে ড্রোনটিকে দ্রুত শনাক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে তাদের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ড্রোনটিকে নিখুঁতভাবে ভূপাতিত করা হয়।

ইরানের এই পদক্ষেপের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের অভ্যন্তরে এই বড় ধরনের হামলার খবরটি সামনে এলো। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উভয় পক্ষই জলসীমা ও আকাশসীমায় নিজ নিজ অবস্থান অনড় রাখার ঘোষণা দেওয়ায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে এখন যুদ্ধংদেহী মনোভাব বিরাজ করছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর