ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

হামে–উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৬০৫


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৪ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:৩০ পিএম

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনা বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন শিশু এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৬০৫ জন শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৫১৪ জনের এবং ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামে মৃত্যু হয়েছে ৯১ শিশুর।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে। ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আসা অনেক শিশু বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছে। ক্রমবর্ধমান এই মৃত্যুতে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পেলে এটি শিশুদের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা এবং টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকা শিশুরা এই রোগের ঝুঁকিতে বেশি রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের শরীরে লাল ফুসকুড়ি, উচ্চমাত্রার জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো হাসপাতালে না পৌঁছানোর কারণেও শিশুদের অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় টিকাদান কর্মসূচি জোরদারের পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সব সরকারি হাসপাতালকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিভাবকদের প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিশুদের শরীরে হামের যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। হামের প্রাদুর্ভাব রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আইসোলেশনে রাখার মাধ্যমে সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর