ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

রাষ্ট্রীয় সম্পদ অলস ফেলে রাখা যাবে না

বন্ধ কারখানা সচল করতে কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৪ জুন, ২০২৬ সময় : ৫:২৪ পিএম

দেশের শিল্প খাতের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী সভাপতিত্বে ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ সভা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিনির্ধারণী সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সচল করতে এবং সেগুলোর দক্ষ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সভায় বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারপ্রধানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বিশেষ সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের ঝিমিয়ে পড়া শিল্প খাতকে পুনরুজ্জীবিত করা। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি আজ দুপুরে এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের আওতায় থাকা বন্ধ কলকারখানাগুলোর বর্তমান বাস্তব চিত্র, আইনি জটিলতা এবং আর্থিক ও কারিগরি সমস্যাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই দেশের মূল্যবান কলকারখানা ও উৎপাদনমুখী ইউনিটগুলোকে অলস বা পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা যাবে না। আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং দক্ষ ও যুগোপযোগী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে এই বন্ধ কারখানাগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যায়, সে বিষয়ে সভায় বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি আরও জানান যে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের এই মেগা উদ্যোগ সফল করতে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মনিটরিং বা পর্যবেক্ষণ সেল গঠন এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়েও সভায় নীতিগত আলোচনা হয়েছে। এই সময় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারপ্রধানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, বর্তমান সরকার দেশের শিল্পায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু হলে একদিকে যেমন দেশের আমদানি নির্ভরতা কমবে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি মজবুত হবে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী কার্যপ্রণালী বাস্তবায়নের কাজ দ্রুতই শুরু হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা পিএমও সূত্রে জানা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর