ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ফিফা সভাপতির ১০ গুণ চাহিদার দাবি ফাঁপা

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই গ্যালারিজুড়ে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ার


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬ সময় : ১:২২ এএম

উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই দেখতে ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকায় ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শকের সমাগম ঘটেছিল। কিন্তু বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই দেখা গেল এক ভিন্ন ও হতাশাজনক চিত্র। গ্যালারির সারিবদ্ধ ফাঁকা আসন ফিফাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে কাঠগড়ায়। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গ্রুপ ‘এ’ এর ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া ২-১ ব্যবধানে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়েছে।

এদিন মাঠের ফুটবলের চেয়ে গ্যালারির শূন্যতাই এখন ফুটবল বিশ্বে আলোচনার মূল কেন্দ্রে। ফিফার অফিশিয়াল হিসেব অনুযায়ী, ৪৬ হাজার আসন বিশিষ্ট গুয়াদালাহারার স্টেডিয়ামটিতে রোববারের ম্যাচে মোট দর্শক উপস্থিতি ছিল ৪৪,৯৮৫ জন। কিন্তু স্টেডিয়ামের ভেতরের ছবি এবং বিদেশি বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে ভিন্ন কথা। গ্যালারির একাধিক সারিতে শত শত আসন সম্পূর্ণ খালি পড়ে ছিল, যা ধরা পড়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা সাধারণ দর্শকরা এর জন্য সরাসরি ফিফার টিকিটের গলাকাটা মূল্যকে দায়ী করেছেন। মেক্সিকোর ফুটবল ভক্তদের দাবি, স্থানীয় সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে চলে গেছে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম।

মজার ব্যাপার হলো, ম্যাচটি শুরু হওয়ার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে এক সংবাদ সম্মেলনে ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো টিকিটের চড়া মূল্যের পক্ষে জোর গলায় সাফাই গেয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য ৬০ ডলার, যা আমেরিকার অন্য যেকোনো বড় খেলার চেয়ে কম। এমনকি টিকিট পাওয়ার চাহিদা প্রত্যাশার চেয়ে ১০ গুণেরও বেশি বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এফএসই’র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে টিকিটের দাম গড়ে প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মধ্যবিত্ত বা সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের পক্ষে টিকিট কেটে মাঠে ঢোকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশ্বমঞ্চের এই চরম বৈষম্যমূলক টিকিটিং ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ভক্তদের ক্ষোভ এখন তুঙ্গে, যা টুর্নামেন্টের জৌলুসে বড় ধাক্কা দিয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর