ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

ফিফা সভাপতির ১০ গুণ চাহিদার দাবি ফাঁপা

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই গ্যালারিজুড়ে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ার


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬ সময় : ১:২২ এএম

উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই দেখতে ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকায় ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শকের সমাগম ঘটেছিল। কিন্তু বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই দেখা গেল এক ভিন্ন ও হতাশাজনক চিত্র। গ্যালারির সারিবদ্ধ ফাঁকা আসন ফিফাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে কাঠগড়ায়। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গ্রুপ ‘এ’ এর ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া ২-১ ব্যবধানে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়েছে।

এদিন মাঠের ফুটবলের চেয়ে গ্যালারির শূন্যতাই এখন ফুটবল বিশ্বে আলোচনার মূল কেন্দ্রে। ফিফার অফিশিয়াল হিসেব অনুযায়ী, ৪৬ হাজার আসন বিশিষ্ট গুয়াদালাহারার স্টেডিয়ামটিতে রোববারের ম্যাচে মোট দর্শক উপস্থিতি ছিল ৪৪,৯৮৫ জন। কিন্তু স্টেডিয়ামের ভেতরের ছবি এবং বিদেশি বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে ভিন্ন কথা। গ্যালারির একাধিক সারিতে শত শত আসন সম্পূর্ণ খালি পড়ে ছিল, যা ধরা পড়েছে টেলিভিশনের পর্দায়। স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা সাধারণ দর্শকরা এর জন্য সরাসরি ফিফার টিকিটের গলাকাটা মূল্যকে দায়ী করেছেন। মেক্সিকোর ফুটবল ভক্তদের দাবি, স্থানীয় সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে চলে গেছে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম।

মজার ব্যাপার হলো, ম্যাচটি শুরু হওয়ার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে এক সংবাদ সম্মেলনে ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো টিকিটের চড়া মূল্যের পক্ষে জোর গলায় সাফাই গেয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য ৬০ ডলার, যা আমেরিকার অন্য যেকোনো বড় খেলার চেয়ে কম। এমনকি টিকিট পাওয়ার চাহিদা প্রত্যাশার চেয়ে ১০ গুণেরও বেশি বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এফএসই’র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে টিকিটের দাম গড়ে প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মধ্যবিত্ত বা সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের পক্ষে টিকিট কেটে মাঠে ঢোকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশ্বমঞ্চের এই চরম বৈষম্যমূলক টিকিটিং ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ভক্তদের ক্ষোভ এখন তুঙ্গে, যা টুর্নামেন্টের জৌলুসে বড় ধাক্কা দিয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর