ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬ সময় : ১০:০৫ এএম

মোঃ বাকি অনীক, কুমিল্লা প্রতিনিধি

সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং জোরপূর্বক ‘পুশইন’ বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। শুক্রবার বিকেলে নগরীর টাউন হল মাঠে আয়োজিত সমাবেশ থেকে সীমান্তে হত্যা, নির্যাতন ও অনুপ্রবেশের ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিকেল ৫টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে পূর্বসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। পাশাপাশি জোরপূর্বক পুশইনের অভিযোগও দেশের জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা এসব ঘটনার স্থায়ী সমাধানে সরকারের প্রতি কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহানগরী সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, সীমান্ত হত্যা এবং পুশইনের মতো ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সীমান্তে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে সরকারকে আরও দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক পর্যায়ে জোরালো উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের মতো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিষয়গুলো তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি অবিলম্বে এসব ঘটনা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, মানবিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা উচিত। সীমান্তে প্রাণহানি ও জোরপূর্বক অনুপ্রবেশের অভিযোগ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। এ ধরনের বিষয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কর্মসূচি শেষ হলেও দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলে নেতারা ইঙ্গিত দেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর