ঢাকা পোস্টের সাথে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, ‘২০০২ সালের পর ব্রাজিল আর শিরোপার দেখা পায়নি। তবে এবারের দলের ভারসাম্য ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বেশ আশাব্যঞ্জক। আমার বিশ্বাস, এবার হেক্সা মিশন সফল হবে।’
বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে শুধু খেলোয়াড় নয়, কোচের মুন্সিয়ানাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাজিলের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তিনি বলেন, ‘আনচেলত্তি বিশ্বসেরা কোচদের একজন। রিয়াল মাদ্রিদের মতো তারকাখচিত দলকে সামলানোর অভিজ্ঞতা থাকায় ব্রাজিলের মতো দলের ওপর থাকা চাপ তিনি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।’
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি কোচের অধীনে শিরোপা জেতার রেকর্ড নেই। তবে এই রেকর্ড ভাঙার ব্যাপারেও আশাবাদী প্রতিমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, ‘খেলাধুলায় অনেক রেকর্ডই সময়ভেদে ভেঙে যায়। ব্রাজিলের হাত ধরেই হয়তো বিশ্বকাপের এই অনন্য ইতিহাস নতুন করে লেখা হতে পারে।’
শিরোপা দৌড়ে ফ্রান্স, স্পেন ও আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখা হলেও নিজের পছন্দের জায়গায় অটুট আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অন্যতম ফেভারিট, আর ফ্রান্সের রিজার্ভ বেঞ্চ অত্যন্ত শক্তিশালী। এরপরও আমার প্রত্যাশা ব্রাজিলের হাতেই শিরোপা উঠবে।’
খেলোয়াড়ি জীবনে বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপ উপভোগের স্মৃতি থাকলেও বর্তমানে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকটা ব্যস্ত সময় কাটছে তার। তবে শত ব্যস্ততার মধ্যেও প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য সময় বের করে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এই সাবেক ফুটবলার।