ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

বিশ্বকাপের গোলপোস্টে কে? ‘মধুর সমস্যায়’ স্পেন কোচ


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৫ জুন, ২০২৬ সময় : ৭:১৮ পিএম

বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের মূল মাঠে নামার আগে স্পেন জাতীয় ফুটবল দলের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দুশ্চিন্তা এখন গোলকিপার বা গোলরক্ষক পজিশন। একদিকে ইউরোপীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইউরো ২০২৪ জয়ের প্রধান নায়ক উনাই সিমন, অন্যদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ডেভিড রায়া। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছেন বার্সেলোনার হয়ে গত মৌসুমে দুর্দান্ত খেলা তরুণ গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া। সব মিলিয়ে গোলপোস্টের নিচে কাকে রেখে কাকে নামাবেন, তা নিয়ে স্প্যানিশ শিবিরে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা।

আর্সেনালের হয়ে গত কয়েক মৌসুমে ইউরোপীয় ফুটবলে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছেন ডেভিড রায়া। বিশেষ করে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে দলকে মর্যাদাপূর্ণ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিততে এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তুলতে অতিমানবীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তবে ক্লাব ফুটবলে এত বড় বড় অর্জনের পরও স্পেনের প্রথম পছন্দের প্রধান গোলকিপার হিসেবে এখনো জাতীয় দলে বেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিশ্বস্ত তারকা উনাই সিমন। ইউরোর মঞ্চে টাইব্রেকার ঠেকিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন করার কৃতিত্ব তাঁর ঝুলিতেই রয়েছে।

ইনফর্ম গোলকিপার ডেভিড রায়া অবশ্য দলের ভেতরের এই তীব্র প্রতিযোগিতাকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুস্থভাবেই দেখছেন। নিজের অবস্থান নিয়ে তাঁর ভাষায়, ‘আমরা সবাই ড্রেসিংরুমে একে অপরকে আরও ভালো পারফর্ম করতে এবং নিজেদের ত্রুটিগুলো শুধরে নিতে সাহায্য করি। দিনশেষে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে যে-ই মাঠে নামুক না কেন, সে দলের জয়ের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবে। এখানে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দেশের স্বার্থ বড়।’

এদিকে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে বা দলে থাকা তরুণ হোয়ান গার্সিয়াও ফুটবল বোদ্ধাদের আলোচনায় বেশ ভালোভাবেই রয়েছেন। গত মৌসুমে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা এই তরুণ গোলরক্ষককে স্প্যানিশ ফুটবলের ভবিষ্যৎ কান্ডারি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও বিশ্বকাপের শুরুর ম্যাচগুলোতে তাঁর মূল একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা কম, তবে দলের ভেতরের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বেঞ্চের শক্তি আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

ফলে স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এখন এমন এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক পরিস্থিতিতে আছেন, যেখানে তিনজন বিশ্বমানের নির্ভরযোগ্য গোলকিপারের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নিতে হচ্ছে। বিশ্বকাপের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও স্নায়ুচাপের আসরে এটি যেকোনো দলের কোচের জন্য নিঃসন্দেহে একটি ‘মধুর সমস্যা’। কারণ সেরা বিকল্প হাতে থাকাটা একদিকে যেমন স্বস্তির, অন্যদিকে একজনকে বেছে নেওয়াটা ততটাই কঠিন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে উনাই সিমনকেই হয়তো দেখা যেতে পারে স্পেনের গোলবারে। তবে বেঞ্চে ডেভিড রায়া ও হোয়ান গার্সিয়ার মতো নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত বিকল্প থাকায় অনেকটাই স্বস্তিতে ও ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে ২০১০ সালের সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর