ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে: সংসদে বিদ্যুৎমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৯ জুন, ২০২৬ সময় : ৭:৪৮ পিএম

জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দেশের কিছু কিছু জায়গায় আরও কিছুদিন লোডশেডিং থাকবে। সোমবার (২৯ জুন) সারাদেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। ফলে দেশজুড়ে ৩৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।

জাতীয় সংসদে বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে ওঠায় কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে, তবে সেটি যেন দ্রুত না থাকে সে জন্য আমরা নিরলসভাবে সচেষ্ট আছি। গতকালকে (রোববার) পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল, আজকে আমরা সেখান থেকে অনেকটাই উত্তরণ করতে পেরেছি।’

উল্লেখ্য, তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে গত রোববার দেশের অন্তত সাতটি জেলায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা বিক্ষোভ করেছেন। এর মধ্যে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই উপজেলায় বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ২৭ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছিল মাত্র ৯ মেগাওয়াট। ফলে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রাহকরা রাস্তায় নেমে আসেন।

এর আগে রোববার সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দেশের দুটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র হঠাৎ কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যায়। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কারণেই মূলত হুট করে দেশজুড়ে লোডশেডিং মারাত্মক আকার ধারণ করে। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানী ঢাকায়ও নতুন করে লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তবে সোমবারের বিবৃতিতে স্বস্তির খবর জানিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বন্ধ থাকা ওই দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটি দ্রুত মেরামত করে সোমবার থেকেই পুনরায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজকে আনন্দের সঙ্গে সংসদকে জানাতে পারি, এখন আমাদের জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। তবে আমাদের বর্তমান চাহিদা রয়েছে ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি কমে এখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৩৯ মেগাওয়াট।’

তিনি সংসদকে আরও আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে এই ৩৩৯ মেগাওয়াট ঘাটতিও দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিয়ে শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য। তবে পুরোপুরি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু জায়গায় সাময়িক লোডশেডিং থাকবে, যা দ্রুতই কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর