আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এই নতুন দাম ঘোষণা করেছে। নতুন এই দর আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।
বিইআরসি জানিয়েছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা। সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নতুন করে নির্ধারণ করে থাকে।
তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গৃহস্থালির কাজে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ভোক্তাদের অভিযোগ, কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও অনেক ক্ষেত্রে বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা। এই বিষয়ে তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
এদিকে, সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, যানবাহনে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে অটো গ্যাসের দাম ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো, যা সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরেই দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। এক্ষেত্রে আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের বিনিময় হার হিসাব করে দাম নির্ধারণ করা হয়।