অনলাইন ডেস্ক:
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ বেলজিয়ামের কাছে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও ৩-২ গোলে ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সেনেগাল। অতিরিক্ত সময়ের ১২৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বেলজিয়ামের জয় নিশ্চিত করেন টিলেমান্স। তবে এই হারকে ছাপিয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গুয়ের জাতীয় দল থেকে বিরতি নেওয়ার ঘোষণা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পাপে গুয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বর্তমান কোচিং স্টাফ বহাল থাকা পর্যন্ত তিনি আর সেনেগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না। যদিও পোস্টে তিনি সরাসরি কোচ পাপে থিয়াওয়ের নাম উল্লেখ করেননি, তবে তার এই সিদ্ধান্ত দলের ভেতরের অস্থিরতাকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। ভিয়ারিয়ালে খেলা ২৭ বছর বয়সী এই তারকা খেলোয়াড় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ইরাকের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন।
সেনেগালের জন্য চলতি বছরটি নানা সংকটে ঘেরা। এর আগে মরক্কোর বিপক্ষে গুয়ের অতিরিক্ত সময়ের গোলে পাওয়া ‘আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস’-এর শিরোপাটি একটি আপিল মামলার রায়ে বাতিল হয়ে যায়। সেই ম্যাচে স্বাগতিক মরক্কোকে স্টপেজ টাইমে পেনাল্টি দেওয়া হলে কোচ পাপে থিয়াওয়ে তার দলকে মাঠ থেকে তুলে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে কনফেডারেশন অফ আফ্রিকান ফুটবলের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তে সেনেগালকে ম্যাচটিতে পরাজিত ঘোষণা করা হয় এবং থিয়াওয়েকে পাঁচটি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। বিষয়টি বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের ‘কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট’-এ আপিল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
বেলজিয়ামের বিপক্ষে পেনাল্টির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং সামগ্রিক কোচিং স্টাফের ওপর অনাস্থার কারণে পাপে গুয়ের এমন সিদ্ধান্ত সেনেগাল ফুটবলে বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আাকশজমিন / আরআর