ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও মেক্সিকান জোয়ার: ইংল্যান্ডের সামনে কঠিন পরীক্ষা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৫:৩১ পিএম

স্পোর্টস ডেস্ক:

ছিয়াশির বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ আর শতাব্দীর সেরা গোলের ক্ষত এখনো ইংল্যান্ডের ইতিহাসে অম্লান। দীর্ঘ ৪০ বছর পর আগামী রবিবার আবারও সেই ঐতিহাসিক ‘এস্তাদিও আসতেকা’ স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে থ্রি লায়ন্সরা। ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর এই হাইভোল্টেজ দ্বৈরথ ঘিরে ফুটবলবিশ্বে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনা।

৬০ বছর পর বিশ্বমঞ্চে দ্বিতীয়বারের মতো এই দুই পরাশক্তি মুখোমুখি হচ্ছে। এবারের লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন, যেখানে ইংলিশদের ভাগ্যের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘরের মাঠের গগনবিদারী ‘মেক্সিকান জোয়ার’। মেক্সিকোর মূল শক্তি তাদের এই ‘এস্তাদিও আসতেকা’ স্টেডিয়াম, যা মেক্সিকানদের জন্য এক দুর্ভেদ্য দুর্গ। স্থানীয় সমর্থকদের আবেগ ও অবিরাম সমর্থনই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

ম্যাচটি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ইংল্যান্ডের সাবেক গোলরক্ষক জো হার্ট মেক্সিকোর কোলোসো দে সান্তা উরসুলা স্টেডিয়ামের অবিশ্বাস্য আবহের কথা স্মরণ করেন। তবে আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দেন ইংলিশ কিংবদন্তি ওয়েইন রুনি। মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডকে পরিষ্কার ফেবারিট দাবি করে রুনি বলেন, “কোনো সন্দেহ নেই যে মেক্সিকোর চেয়ে বর্তমান ইংল্যান্ড দল অনেক বেশি শক্তিশালী ও সেরা। তবে মেক্সিকোর পেছনে যে শক্তিটি কাজ করছে, তা হলো তাদের ঘরের মাঠের দর্শক ও আবেগ। মেক্সিকানরা খেলাধুলার প্রতি কতটা আবেগপ্রবণ, তা ফুটবল বা বক্সিং—সব জায়গাতেই দেখা যায়। পুরো দেশ এক হয়ে তাদের দলের জন্য গলা ফাটায় এবং এটাই হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ।”

উল্লেখ্য, আগামী রবিবার এস্তাদিও আসতেকা স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে এই দুই দল। এই মাঠেই ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনার কাছে ট্র্যাজিক বিদায় নিতে হয়েছিল থ্রি লায়ন্সদের। দীর্ঘ সময় পর একই মাঠে ফিরে এসে ইংলিশদের লক্ষ্য থাকবে মেক্সিকানদের আবেগের জোয়ার রুখে দিয়ে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো। সব মিলিয়ে ঘরের মাঠের দর্শক বনাম মাঠের শক্তিমত্তার এই ধ্রুপদী লড়াই দেখার জন্য প্রহর গুনছেন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। ইংল্যান্ডের কোচ ও খেলোয়াড়রা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত মেক্সিকোর এই প্রবল উত্তাপ সামলে শেষ আটের টিকেট নিশ্চিত করতে।

আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর