ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

আত্মঘাতী গোলের নতুন রেকর্ড: বিশ্বকাপে কেন বাড়ছে এমন গোল?


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৪ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৪:১৩ পিএম

বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরে আত্মঘাতী গোল কেউ চায় না, কারণ এটি দলের জন্য বড় এক বিড়ম্বনা। তবে ২০২৬ সালের বর্তমান বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল হওয়ার প্রবণতা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত আসরে মোট ১৪টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে, যা নতুন এক মাইলফলক।

ডালাসে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে মিসর ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে মিসরের রাইটব্যাক মোহামেদ হানি আত্মঘাতী গোল করলে সেটি ১৩তম গোল হিসেবে রেকর্ড গড়ে। এরপর মায়ামিতে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের ম্যাচে ১১১তম মিনিটে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনেই বোর্হেস আরও একটি আত্মঘাতী গোল করেন। এর আগে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১২টি আত্মঘাতী গোল হয়েছিল। এখনো টুর্নামেন্ট শেষ না হওয়ায় এই রেকর্ড আরও বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল।

এত আত্মঘাতী গোলের কারণসমূহ: বিশেষজ্ঞরা এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে একাধিক কারণ চিহ্নিত করেছেন। প্রথমত, এবারের আসরে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করায় ম্যাচের সংখ্যা ৮৮ থেকে ১০৪-এ উন্নীত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ বেশি হওয়ায় ভুলের সংখ্যাও বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তির উৎকর্ষ। ভিএআর (VAR) এবং উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তির কারণে এখন বল কার পায়ে লেগে জালে ঢুকেছে, তা সূক্ষ্মভাবে ধরা পড়ছে। ফলে আগে যেসব গোল নিয়ে বিতর্ক ছিল, এখন তা স্পষ্ট আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

কৌশলগত দিক থেকে ফুটবলের আধুনিক ধরনও এর জন্য দায়ী। এখনকার ফরোয়ার্ডরা বাইলাইন পর্যন্ত গিয়ে আড়াআড়ি বল বাড়ান, যা ঠেকাতে ডিফেন্ডারদের বাধ্য হয়ে নিজেদের গোলপোস্টের দিকে দৌড়াতে হয়। এতে বল ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া, অনেক দল বড় দলের বিপক্ষে ‘লো ব্লক’ বা গভীর রক্ষণভাগ নিয়ে খেলে। গোলপোস্টের খুব কাছে জটলা পাকিয়ে রক্ষণ সামলানোর সময় সামান্য ভুল বা অসতর্কতায় বল নিজেদের জালে ঢুকে যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, খেলার গতি বৃদ্ধি এবং ডিফেন্ডারদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারের আসরটি আত্মঘাতী গোলের জন্য সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ‍। 

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর