ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

পেনাল্টির আগে নরওয়ের গোলরক্ষককে ‘বেকুব’ বলেছিলেন নেইমার


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৬ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৩:৪৪ পিএম

ব্রুনো গিমারায়েস ব্যর্থ হলেও নেইমার কোনো ভুল করেননি। অতিরিক্ত সময়ে পাওয়া পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোলটি শোধ করেন সান্তোসের এই ব্রাজিল তারকা। তাতে অবশ্য পরাজয় এড়াতে পারেনি সেলেসাওরা। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

এর আগে পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করেই নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নাইল্যান্ডের কাছে ছুটে যান নেইমার। এ সময় তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু একটা বলেনও। নাইল্যান্ডকে ঠিক কী বলেছিলেন নেইমার? তাদের মধ্যে হওয়া কথোপকথন সামনে এনেছে ব্রাজিলের একটি টেলিভিশন চ্যানেল।

চ্যানেলটি জানিয়েছে, পেনাল্টি নেওয়ার আগে নেইমার নাইল্যান্ডের সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলতে চেয়েছিলেন। নাইল্যান্ডকে উসকে দিতে গিয়ে নেইমার বলেছেন, ‘পেনাল্টিটা কোন দিকে মারব? তুমি কোন দিকে চাও?’ তবে ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করা নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক নাইল্যান্ডও দমে যাননি। তিনি পাল্টা জবাব দেন, ‘পোস্টে মারো, পোস্টে মারো।’ এরপর নেইমার তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমার সঙ্গে এসব চলবে না। আমার সঙ্গে না। বেকুব!’

যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু পেনাল্টি থেকে থেকে পাওয়া সুযোগটি হাতছাড়া করেন ব্রুনো গিমারায়েস। ধীরগতির রান-আপে নরওয়ের গোলরক্ষককে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন ব্রুনো। তবে বাম দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিউক্যাসল মিডফিল্ডারের নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক।

ম্যাচের শুরুতেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে ব্রাজিল ৭৯ মিনিটে আর্লিং হালান্ডের করা গোলে পিছিয়ে পড়ে। পরে ৯০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান বাড়ান ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা। অতিরিক্ত সময়ে নেইমার ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সেলেসাওদের।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফুটবলারদের মধ্যে মাঠের স্লেজিং বা মনস্তাত্ত্বিক লড়াই নতুন কিছু নয়। তবে নেইমার ও নাইল্যান্ডের এই কথোপকথন ম্যাচের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। ব্রাজিলের বিদায়ের ট্র্যাজেডির মাঝেও এই ঘটনাটি এখন ফুটবল ভক্তদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নেইমার নিজের স্নায়ু ধরে রেখে গোল করতে পারলেও শেষ পর্যন্ত দলের হার ঠেকাতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে সান্তোসের এই তারকাকে। অন্যদিকে হালান্ডের জোড়া গোল ও নাইল্যান্ডের বীরত্বে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর