ম্যাচ পরবর্তী অফিশিয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে ক্ষুব্ধ হোসাম হাসান সরাসরি ফিফাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বলেন, “নিজেদের ব্যবসার স্বার্থেই ফিফা চায় আর্জেন্টিনা এবং মেসি যেন টুর্নামেন্টে টিকে থাকে। যদি তারা আগে থেকেই আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করতে চায়, তবে অন্য দলগুলোকে এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানোর কী দরকার ছিল?” তিনি এই ম্যাচটিকে সম্পূর্ণ সাজানো এবং কারচুপির ম্যাচ হিসেবে আখ্যায়িত করে আরও যোগ করেন, “পুরো বিশ্ব দেখেছে মাঠে কী ঘটেছে। আমরা আর্জেন্টিনার চেয়ে অনেক ভালো ফুটবল খেলেছি। এই ফুটবল একদমই স্বচ্ছ ও ফেয়ার নয়।”
ম্যাচ চলাকালীন রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্ত মিশরের বিপক্ষে গেছে দাবি করে কোচ হোসাম হাসান বলেন, “দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে আমাদের খেলোয়াড় জিকোর করা একটি গোল বাতিল করা হয়, যা সম্পূর্ণ বৈধ ছিল। এছাড়া ম্যাচের শেষ দিকে আমরা একটি স্পষ্ট পেনাল্টি পাওয়ার যোগ্য ছিলাম, কিন্তু রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে সেটি এড়িয়ে গেছেন।” এই অন্যায়ের প্রতিবাদে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মিশর কোচ বলেন, “প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আমি এই বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো দেখা সম্পূর্ণ বয়কট করব। আমি আমার খেলোয়াড়দের বলেছি, যদি মাঠে সঠিক ন্যায্যতা বজায় থাকে, তবে আমরা বিশ্বের যেকোনো বড় দলের বিপক্ষে লড়াই করে জেতার সামর্থ্য রাখি।”