ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

আইনজীবী থেকে বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতাধর সম্রাট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৮ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১১:২৭ পিএম

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার মসনদে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজত্ব করছেন জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। তবে চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে তাকে নিয়ে যে পরিমাণ আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তা অতীতে কখনো দেখা যায়নি। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার গভীর সখ্যতা সবার জানা। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়শই তাকে নিজের অত্যন্ত ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের এই প্রভাবশালী শীর্ষ নেতা ব্যক্তিগত বিলাসবহুল জেট বিমানে চড়ে বিশ্বকাপের এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে দিন-রাত চষে বেড়াচ্ছেন। শুধু মাঠের ফুটবল বা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডেই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমানভাবে সক্রিয় ও দৃশ্যমান রয়েছেন তিনি। তবে এই বিপুল জনপ্রিয়তা ও প্রচারের সমান্তরালে তার দিকে ধেয়ে আসছে তীব্র সমালোচনার তীর। বিশেষ করে চলতি বিশ্বকাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড স্থগিত করার নজিরবিহীন ঘটনা এবং মাঠের ভেতরের ও বাইরের একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত তাকে তুমুল সমালোচনার মুখে দাঁড় করিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল রূপ ধারণ করেছে যে, ইউরোপিয়ান সংসদের অন্তত পঁয়ত্রিশ জন সংসদ সদস্য ইতিমধ্যেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের জোর দাবি তুলেছেন। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের এই শীর্ষ ক্ষমতাধর ব্যক্তি আজ থেকে মাত্র এক দশক আগেও ছিলেন সুইজারল্যান্ডের একজন সাধারণ ও নিরীহ আইনজীবী। অথচ সময়ের পরিক্রমায় সেই সাধারণ অবস্থা থেকে তিনি আজ বিশ্ব ফুটবলের অলিখিত সম্রাট।

যদি ইতিহাসের চাকা কিছুটা পেছনের দিকে ঘোরানো যায়, তবে দেখা যাবে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি যখন প্রথমবার ফিফার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তখন উদযাপনের ধরনটা ছিল বেশ ভিন্ন ও সাধারণ। নির্বাচনের পর ওয়েলসের কার্ডিফ শহরের একটি সাধারণ হোটেলের বারে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের নিজের পকেট থেকে বিয়ার খাইয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। তৎকালীন সময়ে ফুটবল বিশ্বে সেটি একটি দারুণ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছিল। দীর্ঘদিনের সভাপতি সেপ ব্ল্যাটারের যুগ যখন ভয়াবহ আর্থিক কেলেঙ্কারি, ঘুষ ও দুর্নীতির দায়ে কলঙ্কিত হয়ে পতন ঘটল, ঠিক তখন ইনফ্যান্তিনোকে ফুটবল বিশ্বের অন্ধকার কাটিয়ে এক নতুন এবং জনবান্ধব মুখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। সাধারণ মানুষের সাথে সহজে মিশে যাওয়ার এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল তার। ফুটবলপ্রেমী থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের ক্রীড়া কর্মকর্তারা আশা করেছিলেন যে, এই সুইস-ইতালীয় আইনজীবীই পারবেন ফিফার হারানো গৌরব ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে।

দেখতে দেখতে সেই ঘটনার পর প্রায় দশটি বছর পার হয়ে গেছে। সেই সময়ের সাধারণ আইনজীবী জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো এখন সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। বর্তমানে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক এই সংস্থার প্রধান হিসেবে তার বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ষাট লাখ মার্কিন ডলার। তবে কেবল অর্থই নয়, বৈশ্বিক রাজনীতিতেও তার প্রভাব ও যোগাযোগ আকাশচুম্বী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সৌদি আরবের প্রভাবশালী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মতো শীর্ষস্থানীয় বিশ্বনেতাদের সাথে তার ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি এখন বিশ্ববাসীর কাছে অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি নিয়মিত যাতায়াত করেন কাতার সরকারের দেওয়া একটি বিশেষ ব্যক্তিগত বিলাসবহুল জেটে, যা নিয়ে পরিবেশবাদী ও ক্রীড়া মহলে হরহামেশাই সমালোচনা হয়।

২০১৬ সালে প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইনফ্যান্তিনোর জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ এতটাই মজবুত ছিল যে, পরবর্তী দুই দফায় অর্থাৎ ২০১৯ এবং ২০২৩ সালের ফিফা নির্বাচনে তাকে কোনো ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখেই পড়তে হয়নি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে তিনি তার আসনকে নিষ্কণ্টক করেছেন। আগামী ২০২৭ সালের নির্বাচনেও তিনি পুনরায় সভাপতি পদের জন্য লড়াই করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী নির্বাচনেও তার সামনে দাঁড়ানোর মতো কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে না এবং তিনি অনায়াসেই নিজের পদ ধরে রাখতে পারবেন। ফিফার বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম বা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনবার চার বছর করে মোট বারো বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। কিন্তু ইনফ্যান্তিনোর ক্ষেত্রে এই নিয়মের একটি ভিন্ন আইনি ব্যাখ্যা তৈরি করা হয়েছে। ২০১৬ সালে তিনি যখন প্রথম দায়িত্ব নেন, তখন তিনি মূলত সেপ ব্ল্যাটারের অসমাপ্ত মেয়াদের বাকি অংশটুকু পূরণ করেছিলেন, যা নিয়মিত নির্বাচনী চক্রের বাইরে ছিল। এই কারণে ফিফার বিশেষ আইনি কমিটি তার প্রথম তিন বছরের ওই সময়কালকে মূল বারো বছরের মেয়াদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেনি। এর ফলে জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর আনুষ্ঠানিক বারো বছরের মেয়াদ গণনা শুরু হয়েছে মূলত ২০১৯ সাল থেকে।

তবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যম ইএসপিএন-এর পক্ষ থেকে ফিফার অভ্যন্তরীণ একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ২০৩১ সালে চতুর্থবারের মতো সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এই মুহূর্তে ইনফ্যান্তিনোর নেই। এমনকি এই উদ্দেশ্যে ফিফার মূল সংবিধানে কোনো ধরনের সংশোধন বা পরিবর্তন আনার চিন্তাভাবনাও তিনি করছেন না। এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে তার মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি। বছরের পর বছর ধরে লাগাতার বিশ্বভ্রমণ, প্রশাসনিক চাপ এবং বিভিন্ন দেশের ভেন্যু পরিদর্শনের যে মানসিক ও শারীরিক ধকল, তা বিবেচনায় নিয়েই তিনি ২০৩১ সালের পর এই শীর্ষ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর এই দীর্ঘ মেয়াদের শাসনকাল যেমন ফিফাকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করেছে, ঠিক তেমনি তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বারবার নানা বিতর্কের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের প্রভাবশালী ও বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতাদের সাথে তার অতিরিক্ত মাখামাখি ও সুসম্পর্ক গড়ে তোলার নীতিকে ফুটবলপ্রেমীরা সবসময় ভালো চোখে দেখেননি। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ তৈরি হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। ওই সময়ে ইনফ্যান্তিনো সম্পূর্ণ নিজের একক সিদ্ধান্ত বা ক্ষমতাবলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানার্থে ‘ফিফা পিস প্রাইজ’ বা ফিফা শান্তি পুরস্কার চালুর এক আকস্মিক ঘোষণা দেন। বিশ্ব ফুটবলের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়া একজন বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতাকে এমন বড় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল।


এত সমালোচনা ও বিতর্কের পরও আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, বিশ্ব ফুটবলের ভেতরের বলয় বা ফিফার সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে ইনফ্যান্তিনোর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলার সাহস কেউ দেখায় না বললেই চলে। সম্প্রতি ২০২৬ বিশ্বকাপের অত্যন্ত ব্যয়বহুল টিকিট নীতি এবং সাধারণ দর্শকদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া মূল্যের বিষয়ে ইএসপিএন যখন একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানতে চেয়েছিল, তখন তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিষয়টি এড়িয়ে যায় এবং স্পষ্ট ভাষায় জানায় যে, এই স্পর্শকাতর বিষয়ে তারা কোনো ধরনের মন্তব্য বা বক্তব্য দিতে সম্পূর্ণ নারাজ। ফুটবল বিশ্বের এই ভয়ার্ত নীরবতার মাঝেও একজন ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশনের নারী সভাপতি লিসে ক্লাভেনেস। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফিফার পক্ষ থেকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন। লিসে ক্লাভেনেস সরাসরি অভিযোগ তুলে বলেন, এই ধরনের একপেশে সিদ্ধান্ত ফিফার নিজস্ব চিরন্তন রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার মূল নীতিমালাকে সম্পূর্ণভাবে লঙ্ঘন করে। এর পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন যে, এই পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার ক্ষেত্রে ফিফার অভ্যন্তরে কোনো ধরনের গণতান্ত্রিক আলোচনা বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

একইভাবে বিশ্বজুড়ে পেশাদার ফুটবলারদের অধিকার আদায়ের সবচেয়ে বড় সংগঠন ফিফপ্রো-এর সভাপতি সার্জিও মার্চিও গত বছর অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপ চলাকালীন জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর একনায়কতন্ত্রসুলভ আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তিনি সে সময় ‘দ্য ম্যান হু থিংকস হি’স গড’ বা ‘যে মানুষটি নিজেকে ঈশ্বর মনে করেন’ শিরোনামে একটি অত্যন্ত কড়া ও বিস্ফোরক লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করেন। সার্জিও মার্চিও তার সেই বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেন যে, ইনফ্যান্তিনো আসলে বাস্তব পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজের তৈরি করা এক কাল্পনিক ও জাঁকজমকপূর্ণ আলাদা জগতে বসবাস করেন। তার কাছে ফুটবলারদের কল্যাণ বা সাধারণ দর্শকদের আবেগ-অনুভূতির চেয়ে ফিফার এই বিশাল আয়োজনগুলো এবং কোটি কোটি ডলারের বাণিজ্যিক খাতগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার পায়।

তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলের সিংহভাগ প্রভাবশালী কর্মকর্তা বা নীতিনির্ধারকরা ইনফ্যান্তিনোর এসব একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত নিয়ে কখনোই প্রকাশ্যে কোনো ধরনের প্রশ্ন বা আপত্তি তোলেননি। আর এই নীরবতার সুযোগ নিয়েই জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ওয়াশিংটন শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের জমকালো ড্র অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মঞ্চে নিয়ে বিশেষ রাষ্ট্রীয় ও ক্রীড়াসুলভ সম্মান জানানোর একক সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়াও ২০২৬ বিশ্বকাপের সাধারণ টিকিটের বিতর্কিত ও চড়া মূল্য নির্ধারণে নিজের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন এবং কোনো ধরনের উন্মুক্ত ভোটাভুটি বা জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের ধনী রাষ্ট্র সৌদি আরবকে চূড়ান্ত করার পুরো প্রক্রিয়ার পেছনে প্রধান রূপকার ও নেতার ভূমিকা পালন করেন। সব মিলিয়ে এক সময়ের সাধারণ এই আইনজীবী আজ বিশ্ব ক্রীড়া রাজনীতির শীর্ষ দাবার ঘুঁটি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর