ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ

দেশকে আরও সবুজ করতে শিশুদের গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৫ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৪:০৬ পিএম

বাংলাদেশকে একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কোমলমতি শিশুদের সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হওয়ার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী এই সবুজ কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিজে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে একযোগে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ উৎসবের সূচনা হলো। আজ সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একযোগে প্রায় ২ লাখ চারা রোপণ করা হচ্ছে, যা দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক অনন্য মাইলফলক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশুদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "তোমরা সবাই চেষ্টা করবে প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে। সেটি তোমাদের স্কুলেই হোক কিংবা ঘরের আশেপাশে—যেখানেই খালি জায়গা পাবে, সেখানেই একটি করে চারা রোপণ করবে। এটি তোমাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ।"

তিনি শিশুদের মেধা বিকাশের ওপর জোর দিয়ে আরও বলেন, "তোমরা যে গাছটি লাগাবে, সেটি কী গাছ, কত দিন বাঁচে, কতটুকু অক্সিজেন দেয় এবং মানুষের কী কী উপকারে আসে—এই বিষয়গুলো ইন্টারনেট ঘেঁটে নিজেরা গবেষণা করবে। এতে প্রতি বছর তোমরা নতুন নতুন গাছ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবে, যা তোমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে।"

সবুজ পরিবেশের উপকারিতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "স্কুলে লাগানো গাছগুলো যখন বড় হবে, তখন তোমরা খেলাধুলা শেষে ক্লান্ত হয়ে সেই গাছের শীতল ছায়ায় সুন্দরভাবে বিশ্রাম নিতে পারবে। একইভাবে যদি নিজের বাড়ির পাশে গাছ লাগাও, তবে সেই গাছ বড় হলে চমৎকার বাতাস বইবে, ঘরবাড়ি ঠান্ডা থাকবে এবং তোমরা এক আরামদায়ক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবে।"

আজকের দিনটিকে পরিবেশ সুরক্ষার ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আজকের দিনটি আমাদের সবার জন্য একটি স্মরণীয় দিন। আজ আমরা দেশের লাখো শিশু মিলে একসঙ্গে বাংলাদেশের মাটিতে বিপুলসংখ্যক গাছ রোপণ করার গৌরব অর্জন করলাম।" বৃক্ষরোপণের এই মহতী কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে শিশুদের তৈরি প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং খুদে বিজ্ঞানীদের উৎসাহিত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর