ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ইতিহাস গড়ে এমবাপের হাতেই উঠল দ্বিতীয় ‘গোল্ডেন বুট’


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১:০৮ পিএম

ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে লিওনেল মেসির সামনে ছিল এক পাহাড় ডিঙানোর কঠিন পরীক্ষা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের করে নিতে ফাইনালের মহারণেই আর্জেন্টাইন মহাতারকার প্রয়োজন ছিল অন্তত দুটি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট। আর যদি তিনি হ্যাটট্রিক করতে পারতেন, তবে হিসাব-নিকাশের সব জটিলতা এক নিমেষেই কেটে যেত। তখন আর কোনো অ্যাসিস্টের সমীকরণের প্রয়োজন পড়ত না আলবিসেলেস্তে অধিনায়কের।

তবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের জমকালো ফাইনালে এবার আর কোনো রূপকথা লিখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। স্পেনের টিকিটাকা ফুটবলের সামনে ১-০ গোলে হেরে রানার আপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে গোল করা তো দূরের কথা, কোনো অ্যাসিস্টও করতে পারেননি মেসি। আর তাতেই সম্পূর্ণ নিরাপদে থেকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মর্যাদাপূর্ণ গোল্ডেন বুটের পুরস্কার নিজের করে নিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে।

চলতি বিশ্বকাপে ১০টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে গোলদাতার তালিকায় সবার শীর্ষে ছিলেন এমবাপে। বিশেষ করে ফ্রান্সের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। আর তাতেই মেসির সঙ্গে তাঁর ব্যবধানটা অনেকটা বেড়ে যায়, যা ফাইনালের আগে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের ওপর এক মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করেছিল।

বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হওয়া স্বপ্নের ফাইনালের আগে মেসির নামের পাশে ছিল ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট। গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে মূলত দুটি গাণিতিক পথ খোলা ছিল। প্রথমত, মেসিকে হ্যাটট্রিক করতে হতো, যেন এককভাবে গোলসংখ্যায় তিনি এমবাপেকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন। দ্বিতীয়ত, তিনি যদি ফাইনালে দুটি গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করতে পারতেন, তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও অ্যাসিস্টের মারপ্যাঁচে ফরাসি ফরোয়ার্ডকে টপকে ট্রফিটি নিজের করতে পারতেন। কিন্তু স্প্যানিশ রক্ষণের কড়া পাহারায় মেসি নিষ্ক্রিয় থাকায় কোনো সমীকরণই মেলেনি, ফলে অনায়াসেই ইতিহাস গড়ে গোল্ডেন বুট নিশ্চিত হয় এমবাপের।


এ সম্পর্কিত আরো খবর