ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: এনডিটিভি


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১১:১৪ এএম

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে দুই দিনের সরকারি সফরে ভারতে যেতে পারেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্র উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সরকারের কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রস্তুতি ও দৌড়ঝাঁপ পুরোদমে চলছে।


চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিপুল জনমতের ভিত্তিতে বাংলাদেশে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হওয়ার পর এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক নয়াদিল্লি সফর। ফলে এই সফরটিকে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি এবং দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচনা করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।


এনডিটিভির প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বহুল আলোচিত এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি এই মোদি-তারেক বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসার, আঞ্চলিক সংযোগ বা কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সহযোগিতা, দীর্ঘ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সুরক্ষা এবং সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো আলোচনার টেবিলে শীর্ষ অগ্রাধিকার পাবে।


সফরের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিশ্বস্ত কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের এই দুই দিনের সম্ভাব্য সফরটিকে পুরোপুরি একটি নিবিড় ‘দ্বিপাক্ষিক আলোচনা’ (বাইলেটেরাল এনগেজমেন্ট) হিসেবে রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। যদিও সফরের নির্দিষ্ট তারিখ, কর্মসূচি ও বিস্তারিত সূচি চূড়ান্ত করতে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনো সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈশ্বিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনেও অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


তবে এই আমন্ত্রণের ধরন বিষয়ে কিছুটা স্পষ্টীকরণ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গত সপ্তাহে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের (BIMSTEC) বর্তমান সম্মানিত চেয়ারম্যান হিসেবে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য এই দিল্লি সফর বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলানো এবং নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর