ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১০:৪৯ এএম

অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহ, মানবতার প্রেম ও সাম্যবাদের চেতনায় দীপ্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র নিভে গিয়েছিল বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছে পুরো দেশের মানুষ।

 

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও হামদ-নাতের আয়োজন করেছে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের পক্ষ থেকেও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

 

১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর শৈশবের ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। শৈশব থেকেই চরম দারিদ্র্য ও প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে বড় হতে হয়েছে তাঁকে। প্রতিকূলতা সত্ত্বে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সক্রিয়ভাবে সৃষ্টিশীল ছিলেন মাত্র ২৩ বছর। নজরুলের এই সংক্ষিপ্ত ২৩ বছরের সাহিত্যজীবনের অনন্য সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চিরন্তন অমূল্য সম্পদ হয়ে আছে।

 

কবি নজরুলের কালজয়ী কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে এক নতুন নবজাগরণের উন্মেষ ঘটিয়েছিল। তাঁর রচিত কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ, অন্যায় ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং মুক্তির পথ খুঁজে পেতে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। অন্যদিকে তিনি ছিলেন চিরপ্রেমের ও মানবিক রূপের কবি। নিজের বৈচিত্র্যময় স্বভাব নিয়ে তিনি নিজেই লিখেছিলেন, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।

 

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশেষ উদ্যোগে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। একই সাথে তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। কবির বসবাসের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মানে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়।

 

পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক ‘ডি-লিট’ উপাধিতে ভূষিত করে। এরপর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয় বাংলা সাহিত্যের এই মহান পুরুষকে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর