গণভোটের
গণরায় দ্রুত বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার সুনিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট
নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, সর্বস্তরে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ,
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি রোধ এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের
উদ্যোগ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে বহুল আলোচিত 'লং মার্চ' কর্মসূচি
শুরু হয়েছে।
আজ
শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে আয়োজিত এক বিশাল উদ্বোধনী
সমাবেশের মধ্য দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের
নেতারা এই লং মার্চ
কর্মসূচির সূচনা করেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ১১ দলীয় ঐক্যের
শীর্ষ নেতা, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রধান অতিথির ভাষণ ও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা
শেষেই নেতাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের উদ্দেশে বর্ণাঢ্য লং মার্চের বিশাল
বহর রওনা হয়।
এর
আগে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে লং মার্চ-পূর্ব
মূল সমাবেশের আনুষ্ঠিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। সমাবেশে প্রারম্ভিক ও উদ্বোধনী বক্তব্য
দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যের
মুখ্য সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর
রহমান আযাদ। উদ্বোধনী পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের
বিভিন্ন শরিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন।
ঘোষিত
কর্মসূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রাপথে মহাসড়কের পূর্বনির্ধারিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও বাসস্ট্যান্ডে পদযাত্রা
ও পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম
পথসভাটি অনুষ্ঠিত হবে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের সংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায়। এরপর পর্যায়ক্রমে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড মোড়, ফেনীর মহীপাল চত্বর এবং চট্টগ্রামের মীরসরাই এলাকায় সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে এক বিশাল সমাপনী
জনসভার মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের
এই লং মার্চ কর্মসূচির
সমাপ্তি ঘটবে।