ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

ফেসবুকে গালিগালাজ ও অপপ্রচার নিয়ন্ত্রণে নতুন সাইবার আইন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৬:১৬ পিএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অপপ্রচার ও গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন যুগোপযোগী সাইবার আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন এই আইন প্রণয়নের প্রধান উদ্দেশ্য হলো একদিকে যেমন অসত্য ও ভুয়া তথ্যের কারণে সমাজে সৃষ্টি হওয়া সামাজিক অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি রোধ করা, অন্যদিকে স্বাধীন সংবাদচর্চা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় যেন কোনো প্রকার বাধা বা অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ না ঘটে তা সুনিশ্চিত করা। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ।


তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সাইবার জগতের নিরাপত্তা এবং মুক্ত গণমাধ্যমের ভারসাম্যের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসত্য তথ্য ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অবাধ ছড়ানোর ফলে সমাজে নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ভুয়া তথ্যের প্রভাবে যেন সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত না হয় এবং সাইবার অপরাধের মাধ্যমে কেউ হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে একটি কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রস্তাবিত এই নতুন আইনের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।


বক্তব্যে গণমাধ্যমের স্বাধীন ভূমিকার প্রসঙ্গের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও নিশ্চিত করেন যে, স্বাধীন সাংবাদিকতার ঐতিহ্য ও সাংবাদিকদের কাজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় যেন কোনোভাবে বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ না ঘটে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই আইনটির খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া নতুন এই আইনের কঠোর প্রয়োগের ক্ষেত্রে যাতে কোনো ধরনের অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে, সে বিষয়ে প্রশাসনিক ও আইনি দিক থেকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। বাকস্বাধীনতা রক্ষা ও অপরাধ দমনের সমান্তরাল নীতি বজায় রেখে সরকার একটি গঠনমূলক আইন প্রণয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর