ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে জার্মানি যাওয়ার পথে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় এক সংক্ষিপ্ত সফর বা যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁর বহনকারী বিমানটি অবতরণ করলে তাঁকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মান ও উষ্ণ সৌজন্যে অভ্যর্থনা জানানো হয়। ঢাকায় প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার এই অবস্থানকালে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যকার কূটনৈতিক বন্ধুত্বের এক সুন্দর আবহ ফুটে ওঠে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভুটানের শীর্ষনেতাকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল বিমানবন্দরে উপস্থিত হন। এ সময় স্থানটিতে উপস্থিত থেকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিদ্বয় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে শুভকামনা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক অভ্যর্থনার আয়োজন সম্পন্ন করেন।
অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের এই অবস্থানকালীন সময়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের এক সংক্ষিপ্ত সৌজন্য বৈঠক ও কুশল বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এই সংক্ষিপ্ত আলাপে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দুই মিত্র দেশের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বি-পাক্ষিক চমৎকার সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নানা দিক ফুটে ওঠে। উভয় দেশের প্রতিনিধিরাই ঢাকা ও থিম্পুর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংক্ষিপ্ত ট্রানজিট বিরতি শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে জার্মানির উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে তিনি তাঁর পূর্বনির্ধারিত সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক কূটনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর এলাকায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ট্রানজিট প্রোটোকল নিশ্চিত করা হয়েছিল।