ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নুরজাহান ভিলায় শেষবারের মতো অপ্রতিম,কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা-বাবা রাজধানীতে নাশকতার প্রস্তুতি: মগবাজারে আওয়ামী লীগের দুই নেতা আটক চিকিৎসকের অবহেলায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিকে ভাঙচুর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকপুত্র অপ্রতিমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন জাতীয় গ্রিডে তিতাসের ১২.৫ মিলিয়ন গ্যাস, প্রস্তুত হচ্ছে আরও ৩ কূপ ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, আপিলে যাচ্ছে প্রসিকিউশন অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের দাবি পুলিশের, আইফোন উদ্ধার চার দিনে রাফিনিয়ার জোড়া হ্যাটট্রিক, জয়রথ ছুটছে বার্সেলোনার যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ এর গোপন যন্ত্রাংশ চলে গেল চীনের হাতে মক্কা চুক্তির আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের

মানবতাবিরোধী অপরাধ

ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, আপিলে যাচ্ছে প্রসিকিউশন


  • আপলোড সময় : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ১১:২৩ এএম

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা নিগ্রহের দায়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুলিপি প্রকাশের পর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন পক্ষ জানিয়েছে, প্রদানকৃত এই সাজা অপর্যাপ্ত হওয়ায় সংক্ষুব্ধ হয়ে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আপিল দায়েরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে যাবতীয় আইনি প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন।

 

এর আগে গত ৩০ জুন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষের আনা মোট ৮টি সুনির্দিষ্ট অভিজ্ঞতার মধ্যে ৩টি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রতিটি ধারায় তাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন। তবে আইন অনুযায়ী তিনটি সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ার নির্দেশ থাকায় ইনুকে সর্বমোট ১০ বছর কারাগারে কাটাতে হবে। পূর্ণাঙ্গ রায়ে জানানো হয়, ইনুর বিরুদ্ধে আনা , নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন, রাজনৈতিক নিপীড়ন, ষড়যন্ত্র প্ররোচনার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে এই কারাদণ্ড এবং মোট দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 

রায়ের বিশদ বিবরণে জানা যায়, নম্বর অভিযোগে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছবি দেখে তালিকা তৈরি করা এবং তাদের গ্রেপ্তার শারীরিক নির্যাতনের জন্য কুষ্টিয়ার তৎকালীন পুলিশ সুপারকে ফোনে নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি আদালতের কাছে প্রমাণিত হয়েছে। নম্বর অভিযোগে ১৪ দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইনুর প্রত্যক্ষ ভূমিকার প্রমাণ মেলে। ছাড়া নম্বর অভিযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ততার দায় প্রমাণিত হয়।

 

অপরদিকে ইনুর বিরুদ্ধে উত্থাপিত , , , নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সেগুলোতে তাকে নির্দোষ সাব্যস্ত করে খালাস দিয়েছেন আদালত। বিশেষ করে গণভবনের বৈঠকেদেখামাত্র গুলিকরার সিদ্ধান্ত, হেলিকপ্টার থেকে হামলার পরিকল্পনা, আন্দোলনে উসকানি দেওয়া এবং কুষ্টিয়ায় ইউসুফ শেখ, উসামা, সুরুজ আলীসহ জন দেশজুড়ে প্রায় ,৪০০ মানুষকে হত্যায় সরাসরি নির্দেশের অভিযোগগুলো রায়ে প্রমাণিত হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রসিকিউশন এসব খালাসের বিষয়েও আপিল বিভাগে যুক্তি তুলে ধরবে। পাশাপাশি ২০১৩ সালের মতিঝিল শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার সময় তথ্যমন্ত্রী হিসেবে কোর কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থেকে হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগেও বর্তমানে নতুন করে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন সাবেক এই মন্ত্রী।

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর