বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বের হাতছানি আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে সামনের দিনে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার
(২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর অভিজাত গুলশান ক্লাবে ‘বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও গণসংযোগ কেন্দ্র’-এর ব্যবস্থাপনায় চীনের
জাতীয় দিবস উদযাপন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ সংবর্ধনা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী চীনকে বাংলাদেশের অকৃত্রিম ও পরীক্ষিত বন্ধু
হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বরাবরই দ্বিপক্ষীয় এই সম্পর্কের ভিত্তি
মজবুত করার ক্ষেত্রে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ঐতিহাসিকভাবে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সুদৃঢ় সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে
বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ
সময় বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের প্রায় চার বছরের মেয়াদকালে বাংলাদেশের উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন ড. মঈন খান।
তাঁর প্রস্থানকে কিছুটা আক্ষেপের হলেও দ্বিপক্ষীয় অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন তিনি। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে
বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক
অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও গভীর ও বিস্তৃত রূপ
লাভ করবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির মর্যাদায় উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ফকির মাহবুব আনাম। এছাড়া বিদায়ী সংবর্ধনার মূল আকর্ষণে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নিজেই। দুই দেশের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মেলবন্ধনের
এই আয়োজনে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।