ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

১১৯টি কূপের মাধ্যমে উৎপাদিত হলো ২৫৮৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৩:৪৩ পিএম

দেশের জ্বালানি খাতে জ্বালানি সরবরাহ ও উৎপাদনের চিত্র নিয়মিত সামনে আসছে। পেট্রোবাংলার সদ্য প্রকাশিত দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সর্বমোট ২ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস উৎপাদিত ও সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্র ও আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।


প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট উৎপাদিত গ্যাসের একটি বড় অংশ এসেছে দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে। দেশীয় উৎস থেকে সর্বমোট ১ হাজার ৫৯৯ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানিগুলোর (আইওসি) পরিচালিত গ্যাসক্ষেত্র থেকে সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৮৭৫ দশমিক ২ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া গেছে। এর সিংহভাগই এসেছে জনপ্রিয় শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে, যেখান থেকে একাই ৭০৬ দশমিক ২ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ হয়েছে।


অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) থেকে ৪৪৮ দশমিক ৮ এমএমসিএফডি গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। পাশাপাশি সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল) থেকে ১৩৯ দশমিক ৬ এমএমসিএফডি এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) থেকে ১০৩ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে।


স্থানীয় সরবরাহের পাশাপাশি আমদানিকৃত এলএনজি বা অতি-শীতল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে পুনরায় সাধারণ তাপমাত্রায় এনে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার মাধ্যমে আরও ৯৮৩ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করেছে আরপিজিসিএল। যদিও এলএনজি পুনঃগ্যাসীকরণের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি পর্যন্ত রয়েছে, তবুও তুলনামূলক কম গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।


প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে বর্তমানে সক্রিয় ১১৯টি উৎপাদনশীল কূপের মাধ্যমে এই জ্বালানি উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব কূপের গ্যাস উৎপাদন ও বিতরণের মোট সক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি হলেও উৎপাদিত হয়েছে ৬৭ শতাংশ বা ২ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি। জ্বালানি উৎপাদনের এই গতির পাশাপাশি একই সময়ে মোট ৫ হাজার ৫৯৬ দশমিক ৬ টন কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কোম্পানির ক্ষেত্রগুলো থেকেই ৪ হাজার ৫৩৬ টন কনডেনসেট পাওয়া গেছে। দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন এবং আমদানির এই সমন্বিত প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর