বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে জাপানের ধারাবাহিক অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি (SAIDA Shinichi)-এর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এই প্রত্যাশার কথা জানান। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকারের শুরুতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ধীন চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি রাষ্ট্রদূতের সামনে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে জাপান সরকারের অকৃত্রিম সহযোগিতা দেশের অবকাঠামো ও জনজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নতকরণ, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং একটি টেকসই সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে জাপানি প্রযুক্তির সহায়তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতে এসব গুরুত্বপূর্ণ খাতে অংশীদারত্ব আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে উভয় পক্ষ মতপ্রকাশ করে।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগিতার পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, বাংলাদেশে অবস্থিত জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব কোমিনে কেন, দ্বিতীয় সচিব সোমা হানা, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়া এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।