ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬,  ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী রামপালে নতুন রেকর্ড: জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন, সহযোগী সদস্যমাত্র: এটিএম আজহারুল ইসলাম সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফুওয়াং ক্লাবে এসআরবি ও এনবিআরের অভিযান ২০২৭ সালে নতুন বই ও ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা নিজ বাসভবনে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর চার সন্তানের জননী শিভন জিলিসের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটল ইলন মাস্কের লোহিত সাগরের নিয়ন্ত্রণ নিতে ইয়েমেনে হামলার পরিকল্পনা রিয়াদের নদী কি লাশের বাহক: সুশাসনের মুখে বড় প্রশ্নচিহ্ন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জন উদ্ধার

২০২৮ সালে চাঁদে লুনার রোভার পাঠাবে পাকিস্তান: সুপারকো চেয়ারম্যান


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৩ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৬:২৯ পিএম

মহাকাশ অনুসন্ধানের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করার পথে পা বাড়িয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রথম নিজস্ব লুনার রোভার বা চন্দ্রযান ‘জিন্নাহ-১’ আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের মাটিতে সফলভাবে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের মহাকাশ ও উচ্চ বায়ুমণ্ডল গবেষণা কমিশন (সুপারকো)-এর চেয়ারম্যান ইউসুফ খান সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন।


বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় সুপারকোর চেয়ারম্যান দেশের মহাকাশ কর্মসূচির সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের তরুণ প্রজন্মকে মহাকাশ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত করে তুলতে এই বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিগত কয়েক বছরে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রটি উল্লেখযোগ্য গতি অর্জন করেছে এবং দেশ এখন ক্রমান্বয়ে নিজস্ব স্যাটেলাইট সক্ষমতার ওপর আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।


মহাকাশ খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে ইউসুফ খান জানান, পাকিস্তান গত ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ই-ওয়ান’ স্যাটেলাইট মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছিল। এরপর ওই বছরেরই জুলাই এবং অক্টোবর মাসে আরও দুটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের কার্যক্রম ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য মোট ছয়টি আধুনিক আর্থ-অবজারভেশন বা ভূ-পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট সচল রয়েছে। এই স্যাটেলাইটগুলো কৃষিকাজের উন্নয়ন, রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।


দেশের অভ্যন্তরে আধুনিক ইন্টারনেট পরিসেবা এবং টেলিভিশন সম্প্রচার ব্যবস্থার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন সুপারকো চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতিগুলো কেবল মহাকাশ গবেষণাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রাযুক্তিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সক্ষমতাকে বিশ্বমঞ্চে জোরালোভাবে তুলে ধরছে। ২০২৮ সালে নির্ধারিত সময়ে ‘জিন্নাহ-১’ চন্দ্রযানটির সফল চাঁদে অবতরণ পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণার মুকুটে একটি নতুন এবং গৌরবোজ্জ্বল পালক যুক্ত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: দুনিয়া নিউজ


এ সম্পর্কিত আরো খবর