পারিবারিক জীবনে ফের এক আনন্দের মুহূর্তের মুখোমুখি হলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্ভরযোগ্য পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। জীবনের নানামুখী ব্যস্ততা ও লড়াইয়ের মাঝে তাঁর ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। রোববার নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে এই সুখবর নিজেই ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন এই জাতীয় ক্রিকেটার।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে সাইফউদ্দিনের পরিবারে এই নতুন অতিথির আগমন ঘটে। নবজাতক ও মা দুজনেই সুস্থ আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টে সাইফউদ্দিন পরম করুণাময়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। মহান আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া। নিশ্চয়ই উনি আমার ওপর খুশি আছেন, এজন্য আবারও কন্যাসন্তান দিয়েছেন।” তাঁর এই খুশির সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতীর্থ, ভক্ত ও ক্রীড়াপ্রেমীরা তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
এর আগে গত ২০২৪ সালের ১৮ জুন প্রথম কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ব্যক্তিগত জীবনের মধুর এই স্মৃতির পাশাপাশি তাঁর বিবাহিত জীবনের ইতিহাসও বেশ গোছানো। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ফেনী শহরের অভিজাত গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে পরিবারের পছন্দ ও সম্মতিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী কাজী ফাতেমা তুজ জারা বর্তমানে দেশের একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পড়াশোনা করছেন। ক্রিকেট মাঠের হাজারো ব্যস্ততা ও চাপের মধ্যেও ব্যক্তিগত জীবনে একজন আদর্শ স্বামী ও দায়িত্বশীল পিতা হিসেবে আলাদা পরিচিতি রয়েছে তাঁর।
মাঠের ক্রিকেটেও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের অবদান ও লড়াকু মানসিকতা সর্বজনবিদিত। পেস বোলিংয়ে সুইং ও বৈচিত্র্য আনয়নের পাশাপাশি ইনিংসের শেষ দিকে দলের প্রয়োজনে মূল্যবান রান তোলার জন্য তিনি সুপরিচিত। ইনজুরি ও ফিটনেসের নানা লড়াই পেরিয়ে তিনি দেশের ক্রিকেটে নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে নিয়মিত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত জীবনের এই নতুন আনন্দ ও কন্যা সন্তানের আগমন তাঁর কেরিয়ারে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং মানসিক শক্তি বাড়াবে বলে বিশ্বাস করেন তাঁর অগণিত ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা।