কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে। নিহতের ঘটনায় তাকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সুমনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করেছে পুলিশ। মাদকাসক্ত এই চালককে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধান অভিযুক্ত সুমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় হলেও তিনি কুমিল্লার বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। তবে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার প্রায় এক মাস আগেই তিনি নিজের বসতঘর বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে চলে যান। গত বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলের পাশেই একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাওয়া যায়, যা সুমন চালাতেন বলে গাড়িটির মালিকও নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে সুমনকে দ্রুত আটকের উদ্দেশ্যে গত বৃহস্পতিবার পুলিশ তার বোন, বোনের স্বামী এবং খালা শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতারের কথা বলা হলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে জোরালো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।