ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬,  ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৬:৫৯ পিএম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় দেশটির সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ। এ ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময়ে ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেছেন।


সোমবার (১৯ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আলোচনা চলছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ কেন যথাযথভাবে হয়নি, তা জানতে সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।


হুমায়ুন কবির বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো ও গভীর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বর্তমান সরকারের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক ঐতিহাসিক। দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব উভয় দেশই জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী। এ ধরনের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময় ও যোগাযোগ থাকার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তথ্যের ঘাটতি কেন তৈরি হলো, সেটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ কারণেই সৌদি আরবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।


ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তথ্য বিনিময় ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোথায় ঘাটতি ছিল, তা নির্ধারণ করা এখন গুরুত্বপূর্ণ।


এদিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর ব্লাড মানি বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে যাওয়ায় এখন আর সেই সুযোগ নেই। ফলে বর্তমানে তথ্যের ঘাটতি কোথায় হয়েছে, তা অনুসন্ধান করাই গুরুত্বপূর্ণ।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য কীভাবে আদান-প্রদান করা হয়েছিল এবং যোগাযোগের প্রক্রিয়ায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর