বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি হত্যার পেছনে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে তদন্ত সংস্থা। বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হেলিকপ্টারে দেশত্যাগের ঘটনা সংক্রান্ত ভিডিও এবং তাহসিফের কাছে থাকা সেদিনের সম্ভাব্য অন্যান্য গোপনীয় ফুটেজের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা এখন তদন্তের মূল আলোকপাত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে অভিযুক্ত নারী আসামির রিমান্ড শুনানি শেষে এসব তথ্য জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। শুনানিতে বলা হয়, তাহসিফের শেয়ার করা ভিডিওটি দেশবাসীর কাছে শেখ হাসিনার হেলিকপ্টারে দেশত্যাগের ঘটনা তুলে ধরতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ওই নির্দিষ্ট ভিডিওর কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা কোনো একটি বিশেষ বিষয়কে কেন্দ্র করে থেমে নেই; বরং ভিডিওটির পাশাপাশি অন্যান্য আলামত ও পেছনের সম্ভাব্য যোগসূত্র বিবেচনায় রাখছেন।
শুনানিকালে ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জানান, ঘটনার সঙ্গে এখন পর্যন্ত দুজনের সম্পপ্রক্ততার তথ্য মিললেও তারা একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে আসামিদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, তাহসিফ নিজ থেকেই ওই নারীকে পৌঁছে দিয়েছিলেন, যার ফলে তাদের মধ্যে কোনো কোন্দল ছিল না। তিনি আসামির নারী ও শিক্ষার্থী পরিচয় তুলে ধরে জামিনের আবেদন জানান। উভয় পক্ষের যুক্তি ও আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।