ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে না ফেরার দেশে শিক্ষার্থীর বাবা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৯ এপ্রিল, ২০২৫ সময় : ১১:০১ পিএম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি 

পটুয়াখালীর বাউফলের এসএসসি পরীক্ষার্থী তাসফিয়া আজ সকালে তার অসুস্থ বাবাকে রেখে চোখের পানি মুছে মুছতে প্রবেশ করে পরীক্ষা কেন্দ্রে। পরীক্ষা চলাকালীন তার অসুস্থ বাবা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাসফিয়া পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় হঠাৎ তার বাবা মাহবুবুর রহমান বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্বজনরা তড়িঘড়ি করে তাকে একটি গাড়িতে করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সঙ্গে ছিলেন তাসফিয়াও। সেখান থেকে বাবার অনুরোধেই সে পরীক্ষা কেন্দ্রে চলে যায়। এর মাঝে মাহবুবুর রহমান মৃত্যুবরণ করেন। তিনি কালিশুরী এস.এ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার ভড়িপাশা গ্রামে। 

তাসফিয়া কালিশুরী এস.এ ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। প্রয়াত মাহবুবুর রহমান ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক ছিলেন। মেয়ে পরীক্ষার্থী হওয়ায় মানবিক কারণে তিনি এ বছর কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।

জানা যায়, অসুস্থ বাবা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পথে মেয়ে তাসফিয়াকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নামিয়ে দেন। বাবার অনুরোধেই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে সে। পরে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহবুবুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। 

বাউফল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু ইউসুফ বলেন, স্যার সবসময় ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন। আজ মেয়েকে পরীক্ষায় পাঠিয়ে নিজেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন এটা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে। তার মৃত্যুতে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আকাশজমিন/আআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর