ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

বর্ষবরণের শোভাযাত্রায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৪ মে, ২০২৫ সময় : ১১:৪০ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় এবার দেশের ২৮টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। তারা নিজ নিজ সংস্কৃতির প্রতীক ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করে শোভাযাত্রাকে আরও বর্ণিল করে তুলেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও জাতিগত সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ।

এবারের শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান। সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, টিএসসি, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় চারুকলায় গিয়ে শোভাযাত্রাটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

শোভাযাত্রায় সাতটি বড়, সাতটি মাঝারি ও সাতটি ছোট মোটিফসহ মোট ২১টি মোটিফ প্রদর্শিত হয়। এবারের শোভাযাত্রার মূল মোটিফ হলো ‘স্বৈরাচারের প্রতিকৃতি। তাছাড়া পায়রা, মাছ, বাঘ ও মুগ্ধর আলোচিত পানির বোতল প্রদর্শিত হয়েছে।

 সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে শোভাযাত্রাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। এটি বাংলাদেশের বহুজাতিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন। এমন উদ্যোগ দেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য ও বৈচিত্র্যকে উদযাপন করে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যায়।

শোভাযাত্রার উপ-কমিটির সদস্য সচিব ও চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান জানান, ম্রো, মারমা, লুসাই, বম, খেয়াং, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গা, সাঁওতাল, ওরাওঁ, মনিপুরীসহ পাহাড় ও সমতলের ২৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবারের শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।

এবারের আয়োজনে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা নামটি পরিবর্তন করে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৮৯ সালের মূল নামে ফিরেছে এ আয়োজন। আয়োজকদের মতে, এই পরিবর্তন শোভাযাত্রাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ করে তুলেছে।

আকাশজমিন/আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর