ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ

কচুয়ায় বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ,বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৫ মে, ২০২৫ সময় : ১২:৫১ পিএম

কচুয়া (চাঁদপুরপ্রতিনিধি

 

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি দেখা গেছে৷ বিশেষজ্ঞরা এজন্য আবহাওয়া পরিবর্তনকে অন্যতম কারণ মনে করছেন৷ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় হঠাৎ করে ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। ডায়রিয়া ছাড়াও জ্বর, পেটের পীড়া, সর্দি-কাশি, বুক শরীরের ব্যথাসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড়ও লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা বৃদ্ধের সংখ্যা কম

 

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কোয়া-চাঁদপুর গ্রামের  মনছুর আহম্মেদের স্ত্রী হালিমা আক্তার (৩০) ৩দিন আগে ডায়রিয়া আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে ভর্তি দেন।  আজ কিছুটা সুস্থের দিকে আছে তার স্ত্রী হালিমা আক্তার।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্র জানা যায়, গত সপ্তাহে ৩০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। আক্রান্তে বৃদ্ধ শিশুর সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গিয়েছে। এছাড়া অনেক রোগী হাসপাতালের বহির বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে।

 

উপজেলা আলিয়ারা গ্রামের পারভীন আক্তার জানান, আমরা মা রোসনারা (৬০) গতকাল সন্ধায় পেটের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গেলে ডাক্তাররা ভর্তি দিয়ে দেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এখন মা অনেকটাই সুস্থ আছে।

 

এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্রেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদ হোসাইন বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তন, খোলা-বাসি খাবার খাওয়া ভাজা-পোড়া খাবার খাওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়রিয়া রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। স্যালাইনসহ ওষুধপত্রের সংকট নেই।

 

তিনি আরো বলেন, ডায়রিয়ার লক্ষণ হচ্ছে, শিশুর অল্প জ্বর থাকে, আবার অনেক সময় জ্বর থাকেও না, পানির মতো পাতলা পায়খানা হয়৷ কোন ক্ষেত্রে সাদা পায়খানা হয়, কোনটা আবার হলুদ রংয়ের পায়খানা হয়৷ এই ডায়রিয়াতে রক্ত যায় না, শুরুতে জ্বর থাকলেও তা চলে যায়৷ এই ধরনের ডায়রিয়া ভালো হতে থেকে দিন সময় লাগে৷

 

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর