উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি : / : 154
উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি :
রাজশাহীস্থ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ড. এম. আসাদুজ্জামান আর নেই। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজশাহীর উপশহরের ভাড়া বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
বিএমডিএর
নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানান, আসাদুজ্জামান কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। কয়েকদিন
ধরে তাঁর জ্বরও ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের
কাছে গিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁকে রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তার আগেই তিনি মারা যান।
ড.
আসাদুজ্জামান মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তাঁর দুই সন্তানই আমেরিকায় থাকেন। ছেলে জাতিসংঘের বড় পদে চাকরি করেন। সন্তানেরা দেশে
ফেরার পর দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম।
ড.
এম আসাদুজ্জামান রাজশাহীর কৃতি সন্তান। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার কেল্লাবারুইপাড়া
মহল্লায়। আট ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। তাঁর বড় ভাই ড. এম এনামুল হক
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ছিলেন। আরেক ভাই প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক বিএনপির
ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর)
আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। আরেক ভাই মেজর জেনারেল
(অব.) শরীফ উদ্দীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন। বর্তমানে তিনি চেয়ারপারসনের
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
গত বছর আওয়ামী সরকারের পতনের পর ড. এম আসাদুজ্জামানকে বিএমডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়। ১৯৯২ সালে বিএমডিএ প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে রাজশাহীতে শোকের ছায়া নেমে এসেেছে।
আকাশজমিন/আরআর