ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

আখের বাম্পার ফলনঃ সিরাজগঞ্জে ভালো দামে লাভবান কৃষক


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৯ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ৬:১২ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার অধিকাংশ মানুষের জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন কৃষি। জেলার উর্বর দোআঁশ বেলে দোআঁশ মাটিতে বিভিন্ন রকম ফসল আবাদ হয়ে থাকে। তবে অল্প পুঁজিতে লাভজনক হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে দিন দিন আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে অঞ্চলের কৃষকদের। সিরাজগঞ্জে এবার আখের বাম্পার ফলনও হয়েছে। ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে। জানা গেছে, বেলে দোআঁশ মাটি আখ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। থেকে মাসের মধ্যে আখের ফলন পাওয়া যায়। আখ উঁচু নিচু জমিতেও চাষ করা যায়। আবহাওয়া মাটির গুণাগুণের কারণে আশানুরূপ ফলন বাজারে বেশ চাহিদা থাকায় দিন দিন আখ চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আখ চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার বেশি জমিতে চাষাবাদ করেছে কৃষকেরা। জেলার চরাঞ্চলসহ কাজিপুর, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় বেশি চাষ হয়েছে। এসব আখের মধ্যে রয়েছে আইএসডি ৪১, ৪২, ৪৩, ইরি, বোন চুষে খাওয়ার আখ। এবার চাষাবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। আখ মাড়াই করে নতুন গুড় বাজারেও উঠেছে। এছাড়া শহর বন্দরসহ বিভিন্ন যানবাহনেও আখ বিক্রি হচ্ছে এবং আখের রসের কদরও কম নয়।

প্রতি গ্লাস রস এখন ১০/২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর এতে যেমন কৃষকেরাও লাভবান হচ্ছেন তেমনি আখ বিক্রেতারাও লাভবান হচ্ছেন।স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, প্রায় যুগ আগে জেলার অধিকাংশ গ্রামাঞ্চলের জমিতে নানা জাতের আখ চাষ হতো। এসব আখ মাড়াই করে রস জাল করে গুড় তৈরির ধুম পড়তো এবং হাট-বাজারে খোলা ঢিমা গুড় বিক্রি হতো অবাধে।

চাষে খরচ বাদে লাভের অংকও ভালো ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ইরি বোরো চাষে ঝুঁকে পড়ে কৃষকেরা। কারণে ক্রমাগতভাবে আখ চাষ হ্রাস পায়। প্রায় এক যুগ আগে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকেরা ফের আখ চাষ শুরু করেছে। যমুনা নদীর তীরবর্তী কয়েকটি উপজেলাসহ গ্রামাঞ্চলে এর চাষাবাদ বাড়তে থাকে। বর্তমানে ঢিমা (৭শগ্রাম) গুড় ৮০ টাকা থেকে ১শটাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাঁটি গুড় বিক্রি হচ্ছে দেড়শ টাকা থেকে ২শটাকা কেজিতে। প্রতিবছরই চিনি আটা মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরি করেও বিক্রি করে থাকে অসৎ কৃষকেরা। এমন অভিযোগও অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে উঠেছে।

বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক . জা. মু. আহসান শহীদ সরকার বলেন, কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় আখ চাষে কৃষকেরা আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এবার আখ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার ভালো থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর