ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরলো বঙ্গবন্ধুর একক ছবি, যুক্ত হলো জিন্নাহ ও জুলাই অভ্যুত্থান মমেকের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস শিল্পে গ্যাস সরবরাহ মঙ্গলবার থেকেই স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার কাশফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, অনেকের জীবিকাও বটে তাড়াশে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৮টি গরু চুরি, নিঃস্ব কৃষক পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১৭৩৩ জন ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের অনানুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থী ঘোষণা চারবার গুলিবিদ্ধ ও তিনবার কারাবরণ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আলোচনায় ইশরাক অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান

রংধনু গ্রুপের ইউনিক রিজেন্সী হোটেলসহ ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ


রংধনু গ্রুপের ইউনিক রিজেন্সী বিলাসবহুল হোটেল

  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:০৪ পিএম

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

ঢাকার বনানীতে রংধনু গ্রুপের মালিকানাধীন ‘ইউনিক রিজেন্সি হোটেল জব্দ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে রংধনু গ্রুপের মালিক রফিকুল ইসলামের বিলাসবহুল হোটেলসহ ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ১ সেপ্টেম্বর সোমবার  এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি সদর দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটে একটি মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। গত ৭ আগস্ট মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গুলশান থানায় মামলাটি করা হয়।

 

সিআইডি জানায়, রফিকুল ইসলাম রংধনু বিল্ডার্সের নামে ইসলামী ব্যাংকের বারিধারা শাখা থেকে ৪০০ কোটি টাকা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের বসুন্ধরা শাখা থেকে ২৭০ কোটি টাকা এবং ইউনিয়ন ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ২০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ নিয়ে তিনি তা পরিশোধ করেননি। পরে বিদেশে নাগরিকত্ব নিয়ে ওই অর্থ বিনিয়োগ করেছেন।

 

তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, রফিকুল ইসলামের বনানী ১৭ নম্বর সড়কে ৬ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত নয়তলা ভবন ও হোটেল ইউনিক রিজেন্সি এবং সমবায় ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে জামানত রাখা ৩৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশে হোটেলটি জব্দ করা হয় এবং অর্থ অবরুদ্ধ করা হয়। সিআইডি জানায়, মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, অর্থের উৎস অনুসন্ধান, বিদেশে পাচার করা সম্পদের সন্ধান এবং জড়িত অন্য ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর