জামালপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের ইপিজেড এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় একটি ইজিবাইকের চার যাত্রী নিহত
নিহতরা হলেন—ইজিবাইক যাত্রী রাশেদ মিয়া, কৃষক চান মিয়া ও সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের মাস্টার্স শিক্ষার্থী আরিফা খাতুন। নিহত অন্য এক নারীর পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, জামালপুর থেকে মধুপুরগামী একটি কাভার্ড ভ্যান ইপিজেড এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদ নামের এক যাত্রী মারা যান। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সরিষাবাড়ী উপজেলার উচ্চ গ্রামের বাসিন্দা আরিফা খাতুন, জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা গ্রামের কৃষক চান মিয়া এবং এক অজ্ঞাত নারী।
দুর্ঘটনায় আহত অন্য পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা কাভার্ড ভ্যানটিকে আটক করলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।
জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। চালক ও হেলপারকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।”
এই দুর্ঘটনার ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারে চলছে আহাজারি ও শোকের মাতম। স্থানীয়রা বলেন, “মহাসড়কটিতে নিয়মিত পুলিশ টহল না থাকায় এবং অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। দ্রুত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার না করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়বে।”
প্রতিদিন এই সড়কে অসচেতনভাবে ভারী যানবাহনের চলাচল ও রাস্তার বেহাল অবস্থা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। তারা প্রশাসনের কাছে দুর্ঘটনা রোধে স্থায়ী পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
আকাশজমিন / আরআর