ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ৮৩৪ জন


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৪:১২ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৩৪ জন রোগী। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (৮ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৬৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৩ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২২৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২০৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৬০ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৭২ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

অন্যদিকে, একই সময়ে সারা দেশে ৮১৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৭ হাজার ৩৪৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩০৭ জনের। যদিও গত বছর এ সময়ের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম।

গত ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন ৫৭৫ জন। তার আগের বছর ২০২৩ সালে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল আরও ভয়াবহ — সেবছর দেশে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হয়েছিলেন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন মানুষ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার বংশবিস্তার রোধ করা। বিশেষ করে ঘরের ভিতর ও আশেপাশে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এড়াতে হবে। পাশাপাশি দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে বাঁচতে শরীর ঢাকা পোশাক পরা ও ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরে বৃষ্টিপাতের ধরণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ডেঙ্গুর বিস্তার কিছুটা দীর্ঘায়িত হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। তারা বলেন, নভেম্বরেও রোগীর সংখ্যা কমছে না, যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও জনগণের যৌথ উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম

আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর