কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি / : 113
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী মহিলাদলের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপিকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী রমনা ঘাট এলাকায় রৌমারী, রাজীবপুর ও চিলমারী উপজেলার সাধারণ মানুষ এ বিক্ষোভের আয়োজন করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন শত শত নারী ও পুরুষ। এলাকাবাসীর দাবি—দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের মানুষকে সহযোগিতা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য নিবেদিত কাজের কারণে মমতাজ হোসেন লিপি এ আসনে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য দেন মুজিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষক দল, চিলমারী উপজেলা শাখা; রোকাইদা আক্তার লুনা, সিনিয়র সভাপতি জাতীয়তাবাদী মহিলাদল চিলমারী উপজেলা শাখা; নুর আমিন সরকার, যুগ্ম আহবায়ক যুবদল ও সাবেক সভাপতি ছাত্রদল রমনা ইউনিয়ন শাখা; মোঃ রাসেদ রানা, যুগ্ম আহবায়ক স্বেচ্ছাসেবক দল চিলমারী উপজেলা শাখা; জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সদস্য আনজুমা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বর্তমানে BNP এবং জামায়াতের দুই প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় সাধারণ ভোটাররা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তারা মনে করেন, ঐক্যবদ্ধভাবে জয়ের জন্য একজন শক্তিশালী, জনপ্রিয় এবং তৃণমূলভিত্তিক নারী নেত্রীকেই দলীয় প্রার্থী করা জরুরি।
মুজিবুর রহমান বলেন, “কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দীর্ঘদিন মমতাজ হোসেন লিপি মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তার নেতৃত্বে নারীরা সংগঠিত হয়েছে। তিনি শুধু মহিলাদলের নেত্রী নন—এলাকার মানুষের কাছে একজন সহজ-সরল, নির্ভরযোগ্য জননেত্রী।”
নুর আমিন সরকার বলেন, “এই আসনে একই পরিবারের বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী থাকায় সাধারণ ভোটাররা বিপাকে পড়েছেন। দলে বিভাজন রোধ এবং শক্তিশালী বিজয় নিশ্চিত করতে মমতাজ হোসেন লিপিকে মনোনয়ন দেওয়াই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।”
বিক্ষোভে উপস্থিত নারীরা বলেন, বছরের পর বছর ধরে মমতাজ হোসেন লিপি নারী অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। নারী ভোটারদের বিশাল অংশ তাকে নিজের অভিভাবক মনে করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মমতাজ হোসেন লিপি বলেন, “আমি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন এই আসনের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে আছি। বিশেষ করে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশি হওয়ায় আমি তাদের নিয়ে নীরবে-নিভৃতে কাজ করেছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে পারবো।”
মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপির রাজনীতিতে নারীর সম্পৃক্ততার ইতিহাসে মমতাজ হোসেন লিপির মতো সংগঠক খুব কমই পাওয়া যায়। তার সততা, সেবা, দলীয় কর্মকাণ্ড এবং জনগণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা তাকে এ আসনের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আকাশজমিন / আর