ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

সাংবাদিকরা নিজেরাই রাজনীতিকদের পকেটে ঢুকে যান: মির্জা ফখরুল


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • আপলোড সময় : সোমবার ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:১৮ পিএম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিভক্তির কারণে সাংবাদিকরা নিজেরাই রাজনীতিকদের পকেটে ঢুকে যান। সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত মিডিয়া সংস্কার প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের তো অনেকগুলো ইউনিয়ন আছে—বিএফইউজে, ডিআরইউ, আবার দুই দলের দুই ভাগ, তিন ভাগ। আপনাদের বিভক্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নিজেরাই দলীয় হয়ে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের কাউকে পকেটে নিতে চায়। কিন্তু আপনারাই যদি পকেটে ঢুকে যান—তখনই মূল সমস্যা তৈরি হয়।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা না থাকলে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। গণমাধ্যমের শক্তি কমে গেলে জনগণের কণ্ঠস্বরও ক্ষীণ হয়ে যায়। স্বাধীন সাংবাদিকতা না থাকলে মানুষ তার প্রকৃত অধিকার, মত প্রকাশ ও তথ্যপ্রাপ্তির স্বাধীনতা হারায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত পরিষ্কার। আমরা ৩১ দফা ঘোষণার মাধ্যমে বলেছি—বিএনপি একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও আধুনিক গণমাধ্যম দেখতে চায়। আমরা চাই সাংবাদিকরা যেন দলীয় চাপ বা রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

তিনি বলেন, আমরা এর আগে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের অঙ্গীকার করেছি। এই কমিশন হবে গণমাধ্যম সংস্কারের কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম। যেখানে মালিক, সাংবাদিক, কর্মী, নীতি-নির্ধারক—সব পক্ষের মতামত সমন্বিত হবে।

মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করে বলেন, আমরা যদি জনগণের ভোটে সরকার গঠনের দায়িত্ব পাই, তাহলে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। কারণ স্বাধীন গণমাধ্যম ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আজ গণমাধ্যম নানাভাবে সংকটে আছে। পেশাগত নিরাপত্তা নেই, চাকরির নিশ্চয়তা নেই, ন্যায্য বেতন নেই। রাজনৈতিক বিভাজন, মালিকপক্ষের চাপ, রাষ্ট্রীয় নীতিগত প্রতিবন্ধকতা—সব মিলিয়ে সাংবাদিকরা এখন চরম চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব সংকটের সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন, সংগঠনের দলীয়করণ ও নীতিগত দ্বন্দ্ব গণমাধ্যমের পেশাদারিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটি আধুনিক, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল মিডিয়া কাঠামোর জন্য সংস্কার প্রয়োজন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর