ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

সাংবাদিকরা নিজেরাই রাজনীতিকদের পকেটে ঢুকে যান: মির্জা ফখরুল


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • আপলোড সময় : সোমবার ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:১৮ পিএম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিভক্তির কারণে সাংবাদিকরা নিজেরাই রাজনীতিকদের পকেটে ঢুকে যান। সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত মিডিয়া সংস্কার প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের তো অনেকগুলো ইউনিয়ন আছে—বিএফইউজে, ডিআরইউ, আবার দুই দলের দুই ভাগ, তিন ভাগ। আপনাদের বিভক্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নিজেরাই দলীয় হয়ে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের কাউকে পকেটে নিতে চায়। কিন্তু আপনারাই যদি পকেটে ঢুকে যান—তখনই মূল সমস্যা তৈরি হয়।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা না থাকলে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। গণমাধ্যমের শক্তি কমে গেলে জনগণের কণ্ঠস্বরও ক্ষীণ হয়ে যায়। স্বাধীন সাংবাদিকতা না থাকলে মানুষ তার প্রকৃত অধিকার, মত প্রকাশ ও তথ্যপ্রাপ্তির স্বাধীনতা হারায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত পরিষ্কার। আমরা ৩১ দফা ঘোষণার মাধ্যমে বলেছি—বিএনপি একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও আধুনিক গণমাধ্যম দেখতে চায়। আমরা চাই সাংবাদিকরা যেন দলীয় চাপ বা রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

তিনি বলেন, আমরা এর আগে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের অঙ্গীকার করেছি। এই কমিশন হবে গণমাধ্যম সংস্কারের কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম। যেখানে মালিক, সাংবাদিক, কর্মী, নীতি-নির্ধারক—সব পক্ষের মতামত সমন্বিত হবে।

মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করে বলেন, আমরা যদি জনগণের ভোটে সরকার গঠনের দায়িত্ব পাই, তাহলে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। কারণ স্বাধীন গণমাধ্যম ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আজ গণমাধ্যম নানাভাবে সংকটে আছে। পেশাগত নিরাপত্তা নেই, চাকরির নিশ্চয়তা নেই, ন্যায্য বেতন নেই। রাজনৈতিক বিভাজন, মালিকপক্ষের চাপ, রাষ্ট্রীয় নীতিগত প্রতিবন্ধকতা—সব মিলিয়ে সাংবাদিকরা এখন চরম চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব সংকটের সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন, সংগঠনের দলীয়করণ ও নীতিগত দ্বন্দ্ব গণমাধ্যমের পেশাদারিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটি আধুনিক, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল মিডিয়া কাঠামোর জন্য সংস্কার প্রয়োজন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর