ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ

উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:২৮ পিএম

অনলাইন ডেস্ক

গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়া নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই আদেশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।

বৈঠক সকাল ১১টায় শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠক পরিচালনা করেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে গণভোট আয়োজন ও অধ্যাদেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর আগে, ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ একটি বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করেছিল। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশকৃত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে জনগণের মতামত নেওয়ার লক্ষ্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এই গণভোট আয়োজনের জন্য আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

গণভোট অধ্যাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া, ভোটগ্রহণ, ভোটার তালিকা, প্রতিক্রিয়া গ্রহণ এবং ফলাফল ঘোষণা সংক্রান্ত নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, অধ্যাদেশের অনুমোদনের সঙ্গে সঙ্গে সংক্রান্ত কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে সরকারি গেজেটে এটি প্রকাশ করা হবে। পরে অধ্যাদেশ অনুযায়ী জনগণ তাদের মতামত জানাতে পারবে এবং গণভোট সম্পাদিত হবে।

অধ্যাদেশ প্রণয়নের মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশকৃত সংস্কারমূলক প্রস্তাবগুলো দেশের নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সংবিধানসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ভোটারদের নাগরিক অধিকার সুনিশ্চিত হবে এবং ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া সহজতর হবে। বিশেষ করে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি সংযোজন করা হয়েছে।

গণভোট অধ্যাদেশের অনুমোদনের পর নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই প্রক্রিয়া তদারকি করবে। আগামী নির্বাচনে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মতামত প্রতিফলিত করার জন্য সরকার এ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর